• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে জনপ্রিয়তা পেয়েছে বপন পদ্ধতিতে ব্রি ধান ৬২

DSC07813সিসি নিউজ: নীলফামারীতে কৃষকদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে শুকনো জমিতে সরাসরি বপন পদ্ধতিতে আগাম জাতের ধান হিসেবে ব্রি ধান ৬২। জেলার জলঢাকায় বপন পদ্ধতিতে চাষকৃত ব্রি ধান ৬২’র কর্তন অনুষ্ঠানে ধানের ফলন দেখে উপস্থিত কৃষকদের মাঝে সাড়া জাগিয়েছে ।
জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের বেরুবন্দ গ্রামের কৃষক জগবন্ধু রায়ের জমিতে চাষ করা হয় ব্রি ধান ৬২। বৃহস্পতিবার ওই ধান কর্তন করে কৃষকের নিজ উঠানে তা মাড়ানো হয়। এ সময় উপস্থিত গ্রামের শত শত কৃষকের উপস্থিতিতে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নীলফামারীর ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াজেদ, ইন্টিগ্রেটেড এগ্রিকালচারাল প্রোডাক্টিভিটি প্রজেক্ট’র (আইএপিপি) জেলা সমন্বয়কারী কৃষিবিদ আখতারুজ্জামান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট রংপুর অঞ্চলের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আদিল বাদশা, জলঢাকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাফর ইকবাল, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেরামত আলী, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (সদর) সালেহ মোহাম্মদ, বৈজ্ঞানিক সহকারী হাফিজুর রহমান ও সাইফুল বারী, শিমুলবাড়ী ইউপি কমিউনিটি ফ্যাসিলেটর প্রশান্ত কুমার রায় প্রমুখ।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট রংপুর অঞ্চলের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, আগাম জাতের খরা সহিঞ্চু জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষে কৃষকরা অধিক লাভবান হবে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, যেহেতু বপন পদ্ধতিতে ধান চাষ করা হবে সেহেতু বীজতলার প্রয়োজন নেই। তাছাড়া আগাম ফলন হওয়ায় ওই জমিতে আলু বা অন্যান্য ফসল উৎপাদন করে সঠিক বাজার মূল্য পাওয়া যাবে ওইসব ফসলের।
উল্লেখ্য যে, ইন্টিগ্রেটেড এগ্রিকালচারাল প্রোডাক্টিভিটি প্রজেক্ট’র (আইএপিপি) অর্থায়নে ব্রি ধান ৬২ এর বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ