খেলাধুলা ডেস্ক : নীরবে-নিভৃতে মৃত্যুর অমোঘ জগতের দিকেই হেঁটে যাচ্ছেন কিংবদন্তী ক্রীড়াবীদ মোহাম্মদ আলি। দুরারোগ্য পারকিনসন কিংবদন্তি এই বক্সারের ৩০ বছরের সঙ্গী। এবার সম্ভবত তা চূড়ান্ত ছোবল হানার লক্ষ্যে।
৭২ বছর বয়সী বিশ্ব ক্রীড়ার সর্বকালের অন্যতম আলোচিত ও ক্যারিশমাটিক এই ব্যক্তিত্ব জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। পরিবারসূত্রের খবর, নতুন বছরের সূর্য হয়তো দেখবেন না দ্য লিজেন্ড মোহাম্মদ আলি। খেলোয়াড়ী জীবনে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিলেও, জীবন-মৃত্যুর লড়াইটা তার জন্য একটু কঠিন হয়েই দেখা দিয়েছে।
মোহাম্মদ আলিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে ক্লান্তিহীন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ডাক্তার এবং পরিবারের সদস্যরা। এবার লড়াই কঠিন হলেও, বক্সিং রিংয়ের মতোই শেষ মুহূর্তে হয়তো ঘুরে দাঁড়াবেন আলি। এমনটা ভেবেই মনকে সান্তনা দিচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা। বাঁ-হাতের এক ঘুঁসিতে পরাভৃত করবেন মৃ্ত্যুকে, হাসপাতালের বিছানায় অসহায় শুয়ে মৃত্যুর অপেক্ষা যে তাঁকে একেবারেই মানায় না!
ছেলে মহম্মদ আলি জুনিয়র অবশ্য আশঙ্কা থেকে সরে আসতে পারছেন না। চরম সত্যিটাকে মেনে নিয়ে বলছেন, ‘বাবা মনে হয় এই বছরটা আর পার করতে পারবেন না। চলার শক্তি হারিয়েছেন। এখন কথাও বলতে পারছেন না।’
মেয়ে হানা আলি অবশ্য আশা ছাড়ছেন না। কিছুটা আবেগপ্রবন হয়ে বললেন, ‘বাবা আবার সুস্থ্য হয়ে ফিরে আসবেন৷ আমার সঙ্গে তাঁর প্রতিদিন কথা হয়। তিনি আগের মতোই হাসেন, মজা করেন।’
জো ফ্রেজারের উক্তিই হয়তো আজ অনেকের মনে পড়েছ। নিজের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ আলি সম্পর্কে ফ্রেজার একবার বলেছিলেন, ‘আলি জানে না কীভাবে মরতে হয়।’