ঢাকা: এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি আন্তর্জাতিক সংস্থা সিপিএ ও আইপিইউতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব লাভে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ।
এক অভিনন্দনবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করে এরশাদ বলেন, “এই বিজয় শুধু আমাদের দুজন প্রার্থীরই বিজয় নয়, এই বিজয় আপনার মতো একজন সুদক্ষ-দৃঢ়চেতা-সাহসী এবং সৎ রাষ্ট্রনায়কের আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গগনচুম্বী ভাবমূর্তিরই বিজয়। এই বিজয় বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বিজয়।”
তিনি বলেন, “যেমন বঙ্গবন্ধুর কারণে বাংলাদেশের পরিচয়, তেমনি একজন শেখ হাসিনার কারণে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পরিচয়।”
এরশাদ আরো বলেন, “আইপিইউর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কে প্রার্থী হলেন, সেটা বড় বিষয় ছিল না। তিনি বাংলাদেশের পার্লামেন্টের একজন মাননীয় সংসদ সদস্য, যে পার্লামেন্টের নেতা শেখ হাসিনা এবং তার মনোনীত প্রার্থী হওয়াটাই ছিল বড় বিষয়। সেই নির্বাচনে বিশ্বের ১৬৯টি সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশ- বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা নিয়ে আপনার প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে এবং বিজয়ী করেছে।”
আইপিইউ প্রতিষ্ঠার ১২৫ বছর পর প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক সাফল্যের জন্য বাংলাদেশ এই মর্যাদাকর পদটি পেয়েছে এবং দেশবাসী তা চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে বলেও উল্লেখ করেন এরশাদ।
প্রসঙ্গত ক্যামেরুনের রাজধানী ইয়াউনদে’তে গত ৯ অক্টোবর কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) চেয়ারপারসন পদে ৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। অন্যদিকে গত ১৬ অক্টোবর সাবের হোসেন চৌধুরী আইপিইউ’র প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) ১৩১তম সম্মেলনে অপর তিন প্রার্থীকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন সাবের।