সিসি নিউজ: পঞ্চগড়ের বড়শশী সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ড থেকে এরশাদ আলী (৩০) নামে এক বাংলাদেশীর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বিষয়টি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের জানায়। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় লাশটি হস্তান্তর করা হয়।
এরশাদ আলীর লাশ শুক্রবার দুপুরে বড়শশী ইউনিয়নের সর্দারপাড়া সীমান্তের ৭৮০ নম্বর সীমান্ত পিলার সংলগ্ন নোম্যান্স ল্যান্ডের ১০০ গজ ভেতর থেকে উদ্ধার করে বিএসএফ।
পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল হক এ প্রসঙ্গে জানান, কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সন্ধ্যায় তার লাশ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ।
নিহত এরশাদ আলী জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের প্রামাণিকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। লাশ হস্তান্তরের আগে ভারতের মানিকগঞ্জ কোতোয়ালি থানা পুলিশ এর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে।
লাশ হস্তান্তরের সময় বিএসএফের মানিকগঞ্জ কোম্পানি কমান্ডার এসএস পান্ডে, মানিকগঞ্জ কোতোয়ালি থানার এএসআই বাপ্পা সাহা, বিজিবির বড়শশী ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার আব্দুল মালেক, বোদা থানার এসআই সালাহউদ্দিন, বড়শশী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রেয়াজুল করিম খোকা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে বিজিবি ও পুলিশ এরশাদের লাশ তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, এরশাদ আলীকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করে ওই স্থানে ফেলা রাখা হয়। বৃহস্পতিবার থেকে তার কোনো খোঁজ ছিল না। শুক্রবার দুপুরে বড়শশী ইউনিয়নের সর্দারপাড়া সীমান্তের অংশে তার ক্ষতবিক্ষত লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার মাথা ও হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। বিএসএফ অথবা ভারতীয় নাগরিকরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে বলে পরিবারের অভিযোগ।
নতুন বার্তা