দিনাজপুর প্রতিনিধি: বীরগঞ্জে কালীমন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর ও ক্রস ফায়ারে হত্যার হুমকি দেয়ায় বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ঢেমঢেমিয়া কালীমন্দিরের সেবায়েত (মালিক) ধনেশ্বর চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ নালিশী মামলা দায়ের করেন।
পরে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল বারী অভিযোগ গ্রহণ করে তদন্তের জন্য বীরগঞ্জ উপজেলার সমাজসেবা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেন এবং আগামী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেন।
মামলার বাদী ধনেশ্বর চন্দ্র সরকার মামলার এজাহারে অভিযোগ করেন, গত ২৩ অক্টোবর রাত ১০ টায় সেবায়েত দাবিদার জগদীশ চন্দ্র সরকার তার ৩ ছেলে ও অন্যরা বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদে মন্দিরে প্রবেশ করে কালীপূজা পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি করে। তারা ধনেশ্বরকে শারীরিকভাবে নাজেহাল করেন। এক পর্যায়ে হামলাকারী মোঃ জুয়েল ও সিতা নাথ সরকার শিব প্রতিমার ডান হাত ও শিবের মাথার উপরে স্থাপিত সর্প ভেঙে ফেলে।
এ সময় জুয়েল ও দেলবার কালি মুর্তিকে লক্ষ্য করে অপমানজনক ও আপত্তিকর গালাগাল করে। পুরো ঘটনার সময় বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম শওকত হোসেন নিরব দর্শকের ভুমিকা পালন করে হামলাকারীদের সহায়তা ও সাহস যোগান।
এ ঘটনার পরপর বীরগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত হোসেন এজাহার গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেন।