• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

যে উপজেলায় রবি ও বৃহস্পতিবার হরতাল হয় না

96942_1সিসি নিউজ: লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় রয়েছে ভারতীয় গরুর বিশাল হাট, রয়েছে দেশের বৃহত্তম বুড়িমারি স্থলবন্দর। রোববার আর বৃহস্পতিবার হাটবার। গত এক যুগ থেকে তাই এ দুদিনে ডাকা হরতালে কোনোই প্রভাব পড়ে না।

যে কোনো রাজনৈতিক দল তা সে হোক আওয়ামী লীগ, বিএনপি বা জামায়াত, কারো ডাকেই সাড়া দেয় না জনগণ। হয় না কোনো পিকেটিংও। হরতালে পুরোপুরি সচল থাকে পুরো পাটগ্রাম উপজেলা।

সূত্রমতে, গত ৫ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি-জামায়াত জোটের টানা অবরোধ কেন্দ্রের চাপে কয়েকদিন পালন করা হয়। তবে ওই সময় বড় ধরনের সহিংসতায় প্রাণ হারায় বিএনপি-জামায়াতের ৮কর্মী। এরপর থেকে যদিও ভাবা হয়েছিল হরতালে মাঠে থাকবে সমর্থকরা। কিন্তু বিগত কয়েক মাস ধরে বৃহস্পতিবার বা রোববার ডাকা হরতালেও কর্মচঞ্চলতা চোখে পড়ছে।

রোববার কিংবা বৃহস্পতিবার কোনো দল হরতাল ডাকলেও এখানে কাউকে মাঠে পাওয়া যায় না। সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর সরকারি বেসরকারি অফিসও খোলা রাখা হচ্ছে।

বর্তমানে প্রতিটি ডাকা হরতালেই বুড়িমারি স্থলবন্দরে আমদানি রপ্তানি স্বাভাবিক থাকছে। শুধু দূরপাল্লার কোচসহ বিভিন্ন রুটের যাত্রীবাহী বাস পাটগ্রাম বা বুড়িমারি থেকে গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায় না। রোববারের হরতালেও ঘটেছে একই ঘটনা।

দলীয় সূত্রমতে, বিএনপি-জামায়াত জোটের স্থানীয় নেতাকর্মীরা হরতাল না করায় কেন্দ্রীয় চাপে রয়েছেন জেলা বিএনপি ও জামায়াতের সিনিয়র নেতারা।

পাটগ্রাম উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, এক যুগ আগে পাটগ্রামের সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্য্যালয়ে বৈঠক করা হয়। এতে সর্বসম্মতভাবে হাটের দিনে হরতাল পালন না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরপর থেকেই এ উপজেলায় বৃহস্পতিবার ও রোববার যে কোনো দলের ডাকা হরতাল পালন করেন না নেতাকর্মীরা।

পাটগ্রাম পৌর শহরের ব্যবসায়ী আশরাফ খান বলেন, যে কোনো রাজনেতিক দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডাকা হরতাল এখানকার নেতাকর্মীরা সবার স্বার্থেই পালন করেন না।

পাটগ্রাম পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি সায়েদুজ্জামান সায়েদ বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে সর্বদলীয় বৈঠকে সিদ্বান্ত হয় যখন যে দল বিরোধীদলে থাকবে তখন তারা হাটের দিনগুলোতে হরতাল পালন করবে না।

তবে সর্বদলীয় বৈঠকের কথা অস্বীকার করে পাটগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির আবুল কালাম আজাদ দাবি করে বলেন, ‘পুলিশি বাধার কারণেই আমরা হরতাল পালন করতে পারি না।’

পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘এটা একটি রাজনৈতিক সমঝোতা।’

উৎসঃ   বাংলামেইল২৪


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ