দিনাজপুর প্রতিনিধি : হাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলরসহ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম। বৃহস্পতিবার বিকেলে ফোরামের সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মো.আনিস খান ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. বলরাম রায় কর্তৃক প্রেরিত সংবাদপত্রে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৪ নভেম্বর হাবিপ্রবি ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির সাথে অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে দু’জন ছাত্রকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করাসহ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই বহিষ্কারকে কেন্দ্র করে বহিষ্কৃত ছাত্ররা কতিপয় ছাত্রকে নিয়ে ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ব্যানারে ক্যাম্পাসে অবস্থান, প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন প্রভৃতির মাধ্যমে হাবিপ্রবির ভাইস চ্যান্সেলর, সাধারণ সম্পাদক (প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম), ডীন (পোস্টগ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদ), প্রক্টর ও পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখা)-এর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত কুৎসা রটনা অব্যাহত রেখেছে। যা অতি দুর্ভাগ্যজনক। এই ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম।
শিক্ষক ফোরাম বলেন, ঐতিহ্যবাহী প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন “বাংলাদেশ ছাত্রলীগ” বর্তমান হাবিপ্রবি প্রশাসনের প্রতিপক্ষ নয়। তাকে ধ্বংস বা তাঁর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার প্রশ্নই আসেনা। ছাত্রলীগ বা কোন সংগঠনের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ভর্তি পরীক্ষার মত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয়ে ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগ দু’ছাত্রের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। কারও প্রতি অনুরাগ-বিরাগ হয়ে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এই বহিষ্কারাদেশ দেয়া হয়েছে। শিক্ষক ফোরাম আরো জানান, এ বিষয়ে অধিক তদন্তের জন্য উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে জানানো হয়।