সিসি নিউজ: সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে সৃষ্ট ঘটনায় দায়েরকৃত মামলা প্রতাহারের জন্য জার্মান নাগরিক মিনার কাইয়ুম আবেদন জানিয়েছেন।
মিনার কাইয়ুমের আবেদন পত্র মতে, সম্প্রতি নিছক ভুলবুঝাবুঝির কারণে সৃষ্ট ঘটনাটি কতিপয় ব্যক্তি বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে সংবাদকর্মী মিসবাহুল হক মিশু সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকৃত অর্থে সংবাদ কর্মী মিশুর আমন্ত্রণে তার হোটেলে যাই এবং উভয়ে সাম্প্রতিক বিষয়াদি ও সন্ত্রাসবাদ বিষয় আলাপ-আলোচনা করি। এক পর্যায় মিশু আমার মুঠোফোনটি দেখার জন্য চায়। আমিও তাকে দিইও। কিন্তু আমার মনে হচ্ছিল যেহেতু আমি জার্মান মুসলিম নাগরিক, সংবাদকর্মী মিশু সন্দেহের বসবতি হয়ে আমার মুঠোটি দেখার জন্য নিয়েছে। তাই আমি তাৎক্ষনিক একটু উত্তেজিত হয়ে পড়ি। অবশ্য ওই সময়েই সংবাদ কর্মী মিশু আমাকে আমার মুঠো ফোনটি ফেরত দেয়। তিনি তার হোটেল ত্যাগ করে চলে যান। কিন্তু কে বা কারা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমাকে সৈয়দপুর থানায় নিয়ে আসে। সেখানে আসারপর আমি ওই ঘটনার লিখিত জবানবন্দি দিয়ে ডোমার চলে আসি। পরের দিন জানতে পারি সংবাদকর্মী মিশুকে ওই ঘটনায় আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। এটা শুনে আমি বিচলিত হয়ে পড়ি। যেহেতু সংবাদ কর্মী মিশু আমার সাথে অসদাচারণ আটক রাখা বা হাতাহাতি ও মোবাইল ফোন হাতিয়ে নেয়ার বিষয়ে আমি অভিযোগপত্রে উল্লেখ করি নাই এবং সে ধরনের কোন ঘটনা ঘটে নাই। সে কারণে আমার সহকর্মী ও গণউন্নয়ন কেন্দ্র পরিচালিত বিদ্যালয়ের সভাপতি গোলাম সারোয়ারের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহার জন্য একটি লিখিত আবেদন সৈয়দপুর থানা অফিসার ইনচার্জের কাছে প্রেরণ করার জন্য গত ২৭ অক্টোবর/১৪ তারিখে ডোমার গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের কার্যালয়ে জমা দেয়া হয়, যাহা ৫ই নভেম্বর/১৪ ইং তারিখে সৈয়দপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তগত হয়।
এ ব্যাপারে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন এ ধরনের একটি পত্র প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, যেহেতু মামলাটি আদালতে বিচারাধীন সেহেতু বাদীর আবেদন গ্রহণ করা না করা আদালতের বিষয়।