• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

নোবেল পুরস্কার নিলেন মালালা ও কৈলাস

image_109806_0আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পুরস্কার নিয়েছেন পাকিস্তানের নারীশিক্ষা আন্দোলনের কর্মী মালালা ইউসুফজাই ও ভারতের শিশু অধিকারকর্মী কৈলাস সত্যার্থী।  বুধবার নরওয়ের রাজধানী অসলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। খবর বিবিসির অনলাইনের।
পুরস্কার নেয়ার আগে বিবিসির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মালালা জানায়, সে রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নিতে চায়। এমনকি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চায় সবচেয়ে কম বয়সে নোবেল পুরস্কার পাওয়া এই নারীশিক্ষা আন্দোলনের কর্মী। এর মাধ্যমে দেশের সেবা করতে চায় মালালা।
অন্যদিকে নোবেল শান্তি পুরস্কারকে ‘একটা বড় সুযোগ’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন কৈলাস সত্যার্থী।
এ বছর যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পান চিরবৈরী দুই দেশ পাকিস্তানের মালালা ও ভারতের কৈলাস। নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির চেয়ারম্যানের কাছ থেকে তারা পুরস্কার নেন। এ সময় নরওয়ের রাজা পঞ্চম হ্যারাল্ড উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান থোরবিয়ন জাগলান্ড মালালা ও কৈলাসকে ‘শান্তিতে চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন। তিনি শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার রাস্তা জ্ঞান দিয়ে বাঁধানো।’
২০১২ সালে তালেবান জঙ্গিদের গুলিতে গুরুতর আহত হয় মালালা। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যুক্তরাজ্যে পাঠানো হয়। সুস্থ হয়ে এখন সেখানেই পড়াশোনা করছে মালালা। নারীশিক্ষা আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠা এই কিশোরীর ঝুলিতে ইতিমধ্যে জমা হয়েছে সম্মানজনক অনেক পুরস্কার।
আর ৬০ বছর বয়সী কৈলাস মহাত্মা গান্ধীর অনুসারী। শিশু অধিকার আদায়ে তিনি বিভিন্ন ধরনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন শান্তিপূর্ণভাবে। ‘বাচপান বাঁচাও আন্দোলন’ (শিশু অধিকার রক্ষার আন্দোলন) নামের একটি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা তিনি। শিশুশ্রম নিরসন, শিশু অধিকার আদায় এবং মানবপাচার অবসানের লক্ষ্যে কাজ করে এই সংস্থাটি। কারখানা ও খনিতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কর্মরত প্রায় ৮০ হাজার শিশুকে উদ্ধার করে পুনর্বাসন ও শিক্ষার ব্যবস্থা করে সংস্থাটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ