চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ কার্যালয়ে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রেখে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করেছে ছাত্রলীগের এক পক্ষের নেতা-কর্মীরা।
সোমবার বেলা পৌনে দুইটার দিকে তাকে অবরুদ্ধ করা হয়। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের সিএফসি (চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ার) পক্ষের নেতা-কর্মীরা।
রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষ ভিএক্স (ভার্সিটি এক্সপ্রেস) ও সিএফসির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন শিক্ষার্থী তাপস সরকার। তিনি সিএফসিপক্ষের কর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। দুই পক্ষই নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনে উপাচার্যের দফতরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ছাত্রলীগের সিএফসি (চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ার) পক্ষের নেতা-কর্মীরা। প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করেন তারা।
তাদের অভিযোগ, সিএফসির কর্মী তাপস সরকার নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ তাঁদের মামলা নেয়নি। রোববারের ঘটনায় প্রক্টর সিরাজউদ্দৌল্লার সরাসরি মদদ রয়েছে বলে অভিযোগ করেন সিএফসির নেতা-কর্মীরা। তারা প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করেছেন। পরে তারা উপাচার্যের দফতরের প্রবেশমুখের চারটি দরজায় অবস্থান নেন। দফতরের ভেতরে কাউকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। ভেতর থেকে কেউ বাইরেও যেতে পারছেন না।