সিসি নিউজ: নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে পথচারী ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের আতংকের মধ্যে রাস্তায় চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু- কিশোরদের অভিভাবকরা চরম আতংকের মধ্যে রয়েছেন। এদিকে গত দুই দিনে কুকুরের কামরের শিকার হয়েছে ১০ শিশু। গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার কুকুরে কামরে আহত হয়ে ডিমলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে ডিমলা সদর ইউনিয়নের জান্নাতুন সুজানা তিসা (৫), মনি আক্তার (৬), সাবিনা বেগম (৮), সুলতানা পারভিন (৬), আফরোজা বেগম (৭), নাউতরা ইউনিয়নের মিনি(৪), খালিশা চাপানি ইউনিয়নের সাবেহা (৪), ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের সোহেল (৭), গয়াবাড়ী ইউনিয়নের সামছুল হক (১০) ও মালেকা বেগম (৮)। সরকারিভাবে উপজেলা হাসপাতালে ভ্যাকসিন না থাকায় আক্রান্তদের বাজার থেকে উচ্চ মূল্যে ভ্যাকসিন ক্রয় করতে হচ্ছে। জান্নাতুন সুজানা তিসার মা নাছিমা আক্তার ময়না জানায়, বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রবে বাড়ী থেকে বের হলে চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।
ডিমলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার অনুপ কুমার রায় জানায়, গত কয়েকদিনে কুকুরের কামড়ের শিকার ১০ শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানায়, উপজেলায় সর্বত্র বেওয়ারিশ কুকুর উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন সরকারীভাবে ২০১১ সালে উপজেলা সদরে কুকুর নিধন করা হলেও এরপর কোন কোন বরাদ্দ না আসায় কুকুর নিধন করা সম্ভব হচ্ছে না।