• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

নীলফামারীতে ব্যাক্তি উদ্দ্যোগে সড়ক নির্মান

Picture from nilphamari 25-12-14-1,liliসিসি নিউজ: নীলফামারীতে ব্যাক্তি উদ্দ্যোগে প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সড়ক নির্মান করা হয়েছে। এ সড়কটি নির্মানের ফলে ওই এলাকার ২ শতাধিক পরিবারের সহস্রাধিক মানুষের চলাচলে নুতন দিগন্ত উম্মোচিত হয়েছে। এ সড়ক নির্মানের ঘটনাটি ঘটেছে জেলার ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মির্জাগঞ্জ হলহলিয়া গ্রামের মেম্বারপাড়া গ্রামে। আর সড়ক নির্মানের যাবতীয় ব্যায়ভার করেন একই এলাকার দুবাই প্রবাসী ব্যাবসায়ী মমিনুর রহমান। জানা যায়, ওই এলাকার সহস্রাধিক মানুষের চলাচলের সহজ কোন সড়ক পথ ছিল না। তাদের এলাকায় এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, কোন প্রকার মাইক্রোবাস, পিকআপ, স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের কিংবা জনসাধারনের চলাচলের জন্য পার্শ¦বর্তী মির্জগঞ্জ কলেজ নতুবা কুড়ার স্কুল নামের ২ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। এ নিয়ে নানা বিড়ম্বনায় পরতে হয় এলাকাবাসীকে। বর্ষাকালে তা বেড়ে দ্বিগুন হয়ে যায়। অথচ মেম্বারপাড়া হতে মিশুক পাড়া পর্যন্ত সিএস রেকর্ড অনুযায়ী ১ নং খতিয়ানের অন্তভুক্ত একটি সরকারী রাস্তা রয়েছে। দীর্ঘদিন ওই সড়কটি কোন প্রকার সংস্কার না হওয়ায় এক পর্যায়ে আজ অবধি তার কোন অস্তিত্ব খুজে পাওয়া দুস্কর হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে এলাকাবাসী বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যায়ের জন প্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদ সহ সরকারের বিভিন্ন দফতরে অনেক আবেদন নিবেদন করেও কোন সুরাহা হয় নি। ওই এলাকার দুবাই প্রবাসী ষ্টিল ওয়ার্কশপ ব্যাবসায়ী মমিনুর রহমান তিন মাস আগে ছুটিতে আসেন। এলাকাবাসী তার কাছে ওই সড়কটি নির্মানের দাবী জানালে এলাকাবাসীর এ দুর্যোগকে বিবেচনায় এনে তিনি নিজ খরচে সড়কটি নির্মান করে দেন। এ সড়ক নির্মানে তার প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা ব্যায় হয়। আবার অনেকে সড়কটি প্রশস্ত কিংবা লম্বা করতে জমিও দান করেছেন। সড়কটি নির্মান করতে প্রতিদিন শতাধিক শ্রমিকের অন্তত ১৫ দিন সময় লাগে। সড়ক নির্মান শেষ হলে সড়কে বৃক্ষ রোপনের পরিকল্পনাও করেন তিনি। যা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। এ সড়কটির মাঝে একটি কালভার্ট নির্মান শুধু বাকী রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবী সরকারী উদ্দ্যোগে কালভার্টটি নির্মান করার। এ ব্যাপারে মমিনুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, তার আশা আছে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তিনি ভুমিকা রাখবেন এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকার প্রবাসীরা নিজ এলাকায় এভাবে জন সমস্যা দুরীকরনে ভুমিকা রাখবে বলে তিনি আশা করছেন। এলাকাবাসীর দাবী দেশের সকল প্রবাসীরা দেশ গঠনে মমিনুরের মত ভুমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ