• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

জেনে নিই তাজমহল সম্পর্কে কিছু তথ্য

tajসিসি ডেস্ক: আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় যে, আপনি আপনার প্রেমিকাকে কতটা ভালবাসেন? আমি নিশ্চিত আপনি বলে উঠবেন, “সামর্থ্য থাকলে ওর জন্যে একটা তাজমহল বানাতাম।”

শুধু আপনি-ই নন। যখনি আমাদের প্রেমিকেরা তাদের প্রেমিকার প্রশ্নের জালে জর্জরিত হয়, কোনোভাবেই নিজের ভালবাসার দের্ঘ্য প্রস্থ প্রমান করতে পারেন না, ঠিক তখনি আশ্রয় নেন এই তাজমহলের। যেন ভালবাসার সর্বোচ্চ প্রকাশ এই মহলটি।

আমাদের কবিগুরু রবিঠাকুর, এই মহলকে “ইতিহাসের গালে অশ্রু” বলে আখ্যায়িত করেছেন। কিন্তু কেন? এমন হাজার প্রশ্ন হয়ত আপনার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে চলুন, জেনে নিই তাজমহল সম্পর্কে কিছু তথ্য।

তাজমহল সারাবিশ্বে প্রিয়তমা স্ত্রীর প্রতি, এক স্বামীর ভালবাসার নিদর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। মুঘল সম্রাট শাহজাহান তার প্রিয়তমা স্ত্রী মমতাজের স্মৃতির তরে গড়ে তুলেছেন এই সৌধ। তিনি ছিলেন সম্রাট শাহজাহানের ৩য় স্ত্রী। জানা যায় যে, সম্রাজ্ঞী তার চতুর্দশ সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে নানা জটিলতায় মারা যান। তারপর প্রায় কয়েক সপ্তাহ সম্রাটকে রাজদরবারে দেখা যায়নি। তারপর তিনি এই মহলটি নির্মাণ শুরু করেন।

এই সৌধটির নকশা করা হয় মুসলিম স্থাপত্য পারস্য, তুর্কি এবং ভারতীয় স্থাপত্যকলার অনুকরণে। সাদা মার্বেল পাথরের উপর প্রায় ২৮ ধরনের মূল্যবান পাথর বসানো হয়। এই নকশা মহলটিকে এক অনন্য বৈশিষ্ট্য দিয়েছে। এতে করে মহলটি সকাল বেলা হালকা গোলাপী, সন্ধ্যায় দুধসাদা, এবং রাতে ধূসর দেখায়।

মহলটি তৈরী করতে প্রায় ২২,০০০ শ্রমিকের ১৭বছর লেগেছিল। আর ব্যবহৃত উপকরন বহনের জন্য ১০০০ হাতি ব্যবহৃত হয়েছিল। জানা যায়, সম্রাট নাকি নদীর অপারে আরেকটি মহল বানাতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তার পূর্বেই তিনি তার পুত্র কর্তৃক বন্দী হন।

সবচাইতে গুরুত্ত্বপুর্ণ তথ্য হল, শাহজাহান মহল নির্মান শেষে সকল শ্রমিকদের আঙ্গুল কেটে দেন যাতে মহলের কোনো নকল না বানাতে পারে।অনেকেই তার কাজের সমালোচনা করে থাকেন। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে সম্রাট শাহজাহান তার ভালোবাসার সাথে সাথে অসাধারন রুচিবোধেরও পরিচয় দিয়েছেন। তাইতো ১৯৮৩ সালে বিশ্বের ৭টি সেরা ঐতিহ্যের মাঝে স্থান করে নেয় মহলটি।

জানিনা সম্রাজ্ঞী তার তরে সম্রাটের এই ভালবাসার প্রকাশ দেখছেন কিনা, তবে প্রতি বছর হাজার হাজার প্রেমের পূজারী সম্রাটের এই নিদর্শন দেখতে ভিড় জমান ভারতের আগ্রায়।-সূত্র: ইএন.এম, উইকিপিডিয়া ও আরজি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ