মানিক লাল দত্ত: নীলফামারী জলঢাকা উপজেলার প্রায় ৫লাখ মানুষের বসবাস। এদের মধ্যে চার ভাগের একাংশ মুচি সম্প্রদয়। এরা সনাতন ধর্মীয় গোত্রের দেবাদীদেব মহাদেব এর একমাত্র উপাসক এদের শিব পুজার মধ্য দিয়ে অন্তষ্টি ক্রিয়া হয়। মহাদেব যেভাবে আসন পেতে বসেন। ঠিক সেই ভাবে মাটি গর্ত করে নিয়ম প্রনালীতে তাদের সৎকার চালান। এদের কাজ জুতা সেন্ডেল মেরামত করা এরাও সনাতন ধর্মীয়দের সকল নিয়ম মেনে থাকেন। কিন্তু সমাজের এক শ্রেণীর মানুষ তাদেরকে আলাদা করিয়ে দিয়েছেন। তাদের দেখভালের খবর কেউ রাখতে চায় না অথচ তারা এদেশেরেই নাগরিক। তাদেও ভোটারাধীকার ক্ষমতা রয়েছে। সমাজের এই বঞ্চিত মুচি সম্প্রদায়ের খবর যদি নীলফামারী ৩ আসনের এমপি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, কেন্দ্রীয় যুবলীগ সদস্য ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর, পৌর মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলু এ সম্প্রদায়ের পাশে দাড়ালে সেখানেই মিলবে মনুসত্ত্বের মিলন মেলা। এ সম্প্রদায়ের একজন স্বেচ্ছাসেবী নয়ন এ প্রতিবেদক কে জনান, সরকার নিজ নিজ এলাকা উন্নয়নে ভরপুর করেছে অথচ আমাদের আসনের এমপি মহোদয় জানেন কি না মুচি সম্প্রদয় বলতে আছে কেউ। সাপ্তাহিক ন্যায়ের ভাষার সম্পাদক মানিকলাল দত্ত বলেন, এ সম্প্রদয় সনাতন ধর্মীয় এমপি মহোদয়ের সুদৃষ্টি এদের দুর্দিনকে সাফল্যে এনে দিতে পারে। মুচি ক্ষুদিরাম বাবু জানান, বাবা, দাদার পেশা তাই হাল ছাড়িনি। দ্রব্যমুল্যের উর্ধগতির কারনে এ পেশা ছেড়ে হয়তো অন্য পেশায় নিযুক্ত হতে পারি। এ ভাবনা আমার একার না। সম্প্রদায়ের অধিক মানুষের।