• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৮টি প্রতিষ্ঠানের কেউ পাশ করেনি

Dinajpur Education Boardদিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট  (জেএসসি) পরীক্ষায় শূন্য  ফলাফল প্রাপ্ত স্কুলের সংখ্যা ৮টি।  এই ৮টি প্রতিষ্ঠানের কেউই পাশ করতে পারেনি। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ তোফাজ্জুর রহমান।
মঙ্গলবার দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল থেকে জানা গেছে, শূন্য ফলাফল প্রাপ্ত স্কুলের মধ্যে রয়েছে রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ভারা বান্দাপাড়া  জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ের ৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজনও পাশ করতে পারিনি। নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা গোলামুন্দা আর্দশ জুনিয়র বালিকা বিদ্যালয়ে মাত্র একজন পরীক্ষীর্থী ছিল। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার পাচিম বালাটারী জুন্য়ির স্কুলের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ জন, ঠাকুরগাও সদর উপজেলার অভিয়ের দিঘি জুনিয়র স্কুলে পরীক্ষার্থীর ১০ জন, একই উপজেলার এবিএম জুনিয়র স্কুলের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩ জন, ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জ উপজেলার এইচএ জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ জন, একই উপজেলার বাঁশবাড়ী জুনিয়র স্কুলেরপরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ জন ও পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার মালচান্দী জুনিয়র স্কুলের পরীক্ষার্থীর ২ জন। এসব স্কুলের কোন পরীক্ষার্থীই পাশ করতে পারিনি।
এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ তোফাজ্জুর রহমান বলেন, যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন পরীক্ষার্থই পাশ করতে পারিনি সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সর্ব নিন্ম ৫০ ও গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সর্ব নিম্ন ৩০ পরীক্ষাথী থাকতে হবে। এবং কমপক্ষে ৫০ ভাগ শিক্ষার্থী বোর্ড পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তবেই সেই স্কুলটি এমপিওভূক্ত করা হবে। এই নীতিমালার কম হলে সেসব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওকূক্ত করা হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ