• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

পুলিশ-জলকামান সবই আছে, পাশে সেই নেতারা

image_113300_0সিসি ডেস্ক: গত শনিবার রাত থেকে গুলশানে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবরুদ্ধ আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আগের চেয়ে পুলিশের সংখ্যা কম থাকলেও কার্যালয়ে প্রবেশে কড়াকড়ি আছে আগের মতোই। পেশাজীবী নেতা ও কার্যালয়ের কর্মকর্তা ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।

গত শনিবার রাতে খালেদা জিয়া কার্যালয়ে প্রবেশ করার পর বাইরে মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক পুলিশ। আড়াআড়িভাবে বালুর ট্রাক দিয়ে সামনের সড়কের যানচলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। কার্যালয় থেকে বের হওয়ার ছোট-বড় তিনটি গেইটে সোমবার তালা দেয় পুলিশ। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে মূল ফটকের তালা খুলে দিলেও ওইদিন রাতে হঠাৎ করে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়। শুক্রবার সকালে আবারো তালা খুলে দেয়া হয়েছে।

শুরু থেকে কার্যালয়ের বাইরে রাস্তায় মোট ১১টি বালু ও ইটের ট্রাক দিয়ে ব্যারিকেড দেয়া হলেও সোমবারা তা সরিয়ে নেয়া হয়। যদিও এখনো কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় পুলিশের দুটি পিকআপ ও একটি জলকামান শুক্রবার পর্যন্ত আড়াআড়িভাবে রাখা আছে।

অবরুদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে শনিবার রাতে রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে বের হওয়ার চেষ্টা করে পুলিশের বাধায় পড়েন খালেদা জিয়া। এরপর ৫ জানুয়ারি সমাবেশে যোগ দিতে বের হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটকে দেয়। সেদিন পুলিশের ছোঁড়া পিপার স্প্রেতে অসুস্থও হন তিনি।

যদিও সরকার বলছে, তিনি (খালেদা জিয়া) অবরুদ্ধ নন, চাইলে পুলিশের নিরাপত্তা নিয়ে বাসায় ফিরে যেতে পারেন।

এই সময়ের মধ্যে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বিএনপি সমর্থক আইনজীবী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ বেশ তার কয়েকজন উপদেষ্টা সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছেন।

শুরুর দিন থেকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছিলেন সাবেক কয়েকজন মহিলা এমপি ও মহিলা দলের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেত্রী। যদিও কয়েকদিন পর খালেদার নির্দেশে এমপিরা চলে গেলেও এখনো দলের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানাসহ কয়েকজন মহিলা দলের নেতা আছেন।

উৎস: নতুন বার্তা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ