• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সিস্টেমলসের দায় কৃষকের কাঁধে

Miterকুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাড়ে ৭০০ সেচপাম্প মালিক। প্রত্যেক সেচপাম্প মালিককে গুনতে হবে অতিরিক্ত পাঁচ থেকে ১০ হাজার টাকা। কারণ সিস্টেমলসের দায় কৃষকদের কাঁধে চাপিয়ে দিচ্ছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। এ অবস্থায় সেচ নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত কৃষকরা। কৃষকরা জানান, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সাড়ে ৭০০ কৃষক পাম্পের মাধ্যমে জমিতে সেচ দিয়ে চাষাবাদ করে আসছেন। প্রতি আমন ও বোরো মৌসুম শেষে আবেদনের মাধ্যমে পাম্পের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়। আবার মৌসুমের শুরুতেই সংযোগ ফি দিয়ে সংযোগ নেওয়া হয়। কিন্তু এবার বোরো মৌসুমের শুরুতে সংযোগ নিতে গিয়ে তারা দেখেন, প্রত্যেকের বিদ্যুৎ বিলে দুই থেকে চার হাজার ইউনিট পর্যন্ত বেশি দেখিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বাঘডোবারপাড় গ্রামের কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমার পাম্পের মিটারে ছয় হাজার ৭৯২ ইউনিট থাকলেও আমাকে বিল দেওয়া হয়েছে আট হাজার ৮০০ ইউনিটের। এতে আমার প্রায় পাঁচ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে। এই অতিরিক্ত টাকা দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।’ কামারপাড়া গ্রামের সাইফুর রহমান বলেন, ‘আমার মিটারে অতিরিক্ত প্রায় চার হাজার ইউনিট বেশি যোগ করে বিল দেওয়া হয়েছে। এতে আমার প্রায় ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে, যা আমার মতো কৃষকের পক্ষে দেওয়া সম্ভব না।’
কুড়িগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সদর উপজেলায় সাড়ে ৭০০ সেচপাম্প দীর্ঘদিন ধরে এ্যানালগ মিটারে চলায় প্রচুর সিস্টেমলস হয়েছে। সিস্টেমলস পূরণ করতে অতিরিক্তি ইউনিট যোগ করা হয়েছে। তা ছাড়া টাকা তো সরকারের এ্যাকাউন্টেই জমা হচ্ছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ