• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী

hasinaসিসি নিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৭৫ সালে আমি দেশে ছিলাম না।সেই দিনের সেই বিভৎস হত্যাযজ্ঞ ও লাশের স্তুপ আমি দেখিনি। কিন্তু আজকের আধুনিক যুগে লাশের মিছিল দেখে আমি হতবাগ হয়ে যাচ্ছি।মানুষ পুড়িয়ে হত্যার এই বিভৎসতা দেখে আমি আজ বাকরুদ্ধ, বিস্মিত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা রাজনীতি করি সাধারণ মানুষের জন্য।কিন্তু মানুষ পুড়িয়ে হত্যা, এ কোন রাজনীতি।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় যাদুঘরে হরতাল-অবরোধের রাজনীতিতে দগ্ধ ও আহতদের এক শোকগাঁধা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় বলেন, যাদেরকে আজ হত্যা করা হচ্ছে তাদের তো কোনো দোষ নেই।এই নির্দোষ মানুষগুলোকে কেন আজ পুড়িয়ে হত্যা করা হচ্ছে। অগ্নিদগ্ধ হয়ে যারা আজ বেঁচে আছেন তারাতো আজীবন এই দুর্ভোগ বয়ে বেড়াবে। এর দায় দায়িত্ব কে নেবে। প্রধানমন্ত্রী যখন বক্তব্য রাখছিলেন তখন বার বার তাঁর কন্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসছিল।

দেশ ধ্বংস করে তারা এ কোন রাজনীতি শুরু হয়েছে। এক বছর আগেও দেশবাসী ওদের ধ্বংসযজ্ঞ দেখেছে। এক বছর মোটামুটি শান্তিতে ছিলাম।আবার শুরু হয়েছে। যাদের জন্য আমাদের রাজনীতি তাদের পুড়িয়ে মেরে আমরা আজ কি অর্জন করতে চাই।

প্রধানমন্ত্রীর সামনে যখন স্বজন হারানোরা বক্তৃতা করছিলেন তখন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও উপস্থিত ছিলেন।স্বজনরা যখন তাদের নিকটজনদের হারানোর কাহিনী বর্ণনা করছিলেন তখন বিদেশিদের চোখও অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠে।এসময় গোটা হল জুড়ে অস্বাভাবিক নীরবতা নেমে আসে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ