• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

আধুনিকায়ন করা হচ্ছে বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেন

trainরুকুনুজ্জামান বাবুল, পার্বতীপুর: যাত্রী সেবার মান উয়ন্নন কর্মসূচীর আওতায় সোমবার থেকে পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশন হয়ে নীলফামারী-রাজশাহী-নীলফামারী রুটে চলাচলকারী বরেন্দ্র আন্তঃনগর এক্সপ্রেস (৭৩১/৭৩২) ট্রেনটি সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে আধুনিক (এমওজি) পদ্ধতিতে রুপান্তর করে চালানোর ব্যবস্থা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ সনাতন পদ্ধতির বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় ট্রেনটির আলো ও পাখা পরিচালনা হয়ে আসছিল। অতি পুরাতন এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক মালামাল ও যন্ত্রাংশ বিশেষ করে ব্যাটারী, অল্টারনেটর / ডায়নামো এবং কন্ট্রোল গিয়ার ইত্যাদি বর্তমানে বাজারে দুস্পাপ্য। ফলে গাড়ীর আলোকন ব্যবস্থা ও পাখা চালু রাখা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছিল। ফলশ্রুতিতে যাত্রী সেবার মান বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছিল না। বাংলাদেশ সরকারের রেলপত্র মন্ত্রনালয়ে এর যাত্রী সেবার মান উয়ন্নন কর্মসূচীর আওতায় ইতোমধ্যে রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুরে মেরামত করে গাড়ীগুলোর আলোকন ব্যবস্থা সনাতন পদ্ধতির স্থলে আধুনিক (এমওজি) পদ্ধতিতে রুপান্তর করা হয়। রুপান্তরকৃত এই কোচ গুলো দ্বারা বরেন্দ্র ট্রেন খানা আগামী ২ মার্চ সোমবার থেকে নীলফামারী-রাজশাহী-নীলফামারী রুটে চলাচল করবে। এর ফলে যাত্রী সাধারণকে উন্নততর সেবা প্রদান সম্ভব হবে বাংলাদেশ রেলওয়ে আশা করছে।

এ ব্যাপারে পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনের কর্তব্যরত রেলওয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের উর্দ্ধতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলীয় জোনের প্রধান বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী মোঃ গাওস আল মুনির সাহেবের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আন্তঃনগর বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনটি সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে আধুনিক পদ্ধতিতে রুপান্তর করা সম্ভব হয়েছে। ট্রেনটিতে বর্তমানে একটি পাওয়ারকারসহ মোট ১০টি যাত্রীবাহী বগি সংযোজন করা হয়েছে। পাওয়ারকারের মাধ্যমে মধ্যেবর্তী স্থান থেকে সহজেই আলো বাতাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে। সোমবার থেকে ট্রেনটি আধুনিক পদ্ধতিতে চলাচল করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ