• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

আবাসিক এলাকা থেকে প্লাস্টিক কারখানা সরাতে বললেন মন্ত্রী

Anwar-Hossain-Manju_ADB_19082014_005-e1410443006711ঢাকা: আবাসিক এলাকা থেকে কেমিক্যাল ও প্লাস্টিকের মতো দাহ্য শিল্প কারখানা অন্যত্র স্থানান্তরের জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। এ লক্ষ্যে পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার সচিবালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী এসব কথা জানান। ডিসিসিআইয়ের সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী বলেন, ‘বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা ও তুরাগ নদী থেকে বর্জ্য অপসারণসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ চলছে। এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জাপান সরকার বাংলাদেশকে ৬ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে।’

ডিসিসিআই সভাপতি হোসেন খালেদ ব্যবসায়ীদের পক্ষে মন্ত্রীর কাছে বেশ কয়েকটি প্রস্তাবনা দেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- শিল্প এলাকায় সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (সিইটিপি) স্থাপনে পিপিপির মাধ্যমে উদ্যোগ গ্রহণ, পরিবেশ অধিদপ্তরের ল্যাবরেটরি ও গবেষণাগারে লোকবল বাড়ানো, কল-কারখানায় প্রতি ঘনমিটারে বায়ুর পরিমাণ প্রতি ৮ ঘণ্টায় ৫০০ মাইক্রোগ্রাম বহাল রাখা, ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিষ্কাশনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ, শহরে পরিকল্পিত বনায়ন, বায়ুদূষণ রোধে পরিকল্পিত ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের কৌশলগত উদ্দেশ্য অর্জন মনিটর করার জন্য প্রয়োজনীয় ডাটাবেজ তৈরি, ঢাকার চারদিকের নদীগুলো দূষণমুক্ত করে চলাচলের উপযোগী করে তোলার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে সবুজ শিল্পায়ন, বৃক্ষরোপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ব্যবসায়ীদের জন্য ‘গ্রিন কাড’ প্রবর্তন এবং এ ধরনের কার্ড প্রাপ্ত ব্যবসায়ীদের জন্য কম করের সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি ঋণের সুদের হার কম করার ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রস্তাব করা হয়।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশিদ, সহ-সভাপতি মো. শোয়েব চৌধুরী, পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান খান, মো. সবুর খান, এ কে ডি খায়ের মোহাম্মদ খান, আলহাজ্ব আব্দুস সালাম, খন্দকার আতিক-ই-রাব্বানী, ওসমান গনি এবং ডিসিসিআই মহাসচিব এএইচএম রেজাউল কবির।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ