• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

রুবেলের বিরুদ্ধে মামলায় ফেঁসে যেতে পারেন হ্যাপি

Happyসিসি ডেস্ক : জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার রুবেল  হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে নিজের দায়ের করা মামলায় ফেঁসে যেতে পারেন চিত্র নায়িকা নাজনীন আক্তার হ্যাপি। এর জন্য আলাদা করে রুবেলের পক্ষ থেকে মানহানির মামলা করার কোনো প্রয়োজন নেই।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা ইয়াসমিন দিপা বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ১৭ ধারায় বলা আছে কেউ মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করলে তার শাস্তি হবে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। এছাড়া অর্থদণ্ডও হতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে এ আইনের ১৭ (২) ধারা অনুসারে মামলার আসামিকে (রুবেলকে) আদালতে আবেদন করতে হবে। রুবেল অনুমতি দিলে তার ভক্তরাও ৪১৭ ও ৪২০ ধারায় মামলা করতে পারবেন। কিন্তু আদালত স্ব-প্রণোদিত হয়ে হ্যাপিকে কোন শাস্তি দিবেন না। কেবল আইনের ১৭ (২) ধারা অনুযায়ী কেবল রুবেল আবেদন করলেই হ্যাপি শাস্তি পেতে পারেন।’

হ্যাপির মামলাটি এখন তদন্তাধীন। বাদী যদি তথ্যপ্রমাণ দিয়ে সহযোগিতা না করেন তাহলে অভিযোগের বিষয়ে রুবেলের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি মর্মে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবেন। আর আদালত মামলাটি খারিজ করে দিতে পারেন।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের কাছে ইতিপূর্বে হ্যাপি বলেছেন, ‘আরো দুই সপ্তাহ আগেই বলেছি আমি রুবেলকে ক্ষমা করে দিয়েছি। এ মামলা  আর চালাবো না। তাছাড়া তার আইনজীবীদের একই মত। তখন হ্যাপি আরো বলেছেন, যেহেতু এ মামলা তুলে নেওয়া যায় না। তাই আমি মামলার কোন কাজে আর অংশ গ্রহণ করবো না। এতে করে মামলা আদালতের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই তামাদি হয়ে যাবে।’

গতবছর ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন রুবেল হোসেন। পরে জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করে রুবেল। তবে ৮ জানুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার সাদাতের আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। অবশ্য ১১ জানুয়ারি মহানগর দায়রা জজ আদালত হতে জামিনে ছাড়া পান রুবেল।

এছাড়াও হ্যাপি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ও জাতীয় দল থেকে পেসার রুবেল হোসেনকে বাদ দেওয়ার আরজি জানিয়ে গত ৫ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন । শুনানি শেষে  রিটটি খারিজ করে দেন আদালত। একইসঙ্গে রুবেলের জামিন বাতিল চেয়ে হ্যাপির দায়ের করা একটি আবেদনের ওপর হাইকোর্টে শুনানির জন্য আগামী ৫ এপ্রিল দিন ধার্য রয়েছে।

উল্লেখ্য, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগে রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে রাজধানীর মিরপুর থানায় গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর একটি মামলা দায়ের করেন হ্যাপি। নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯/১ ধারায় ওই মামলাটি দায়ের করা হয়।

উৎস: রাইজিংবিডি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ