আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানের লাহোরের ইউহানাবাদ এলাকায় খ্রিষ্টানদের দুটি চার্চে জোড়া বোমা হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। রোববার উভয় চার্চে বিপুলসংখ্যক প্রার্থনাকারী উপস্থিত ছিলেন। আহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানা না গেলেও নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী পাশাপাশি অবস্থিত ওই দুই চার্চে একই সময় আক্রমণ চালায়। ইউহানাবাদ পাকিস্তানের প্রধান খ্রিষ্টান অধ্যুষিত এলাকা। সেখানে ১০ লাখ খ্রিষ্টানের বসবাস রয়েছে। দেশটির খ্রিষ্টানরা প্রায়ই ধর্মীয় উগ্রবাদীদের হামলার শিকার হন।
স্থানীয় খ্রিষ্টান নেতারা সাংবাদিকদের জানান, হামলাকারীরা চার্চের ভেতর প্রবেশ করে বোমায় নিজেদের উড়িয়ে দেয়। এ সময় হাজারো লোক প্রার্থনার জন্য সেখানে উপস্থিতি ছিলেন। হতাহতের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে জানাতে না পারলেও এর সংখ্যা অনেক বলে মন্তব্য করেন তারা।
এ হামলার জন্য পাঞ্জাব সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন তারা। পাকিস্তানের তেহরিক-ই-তালেবান এ হামলার দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডন।
এদিকে, পাঞ্জাব সরকার ১০ জনের নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। অনেকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করারও নির্দেশ দিয়েছে প্রাদেশিক সরকার।
২০১৩ সালে পোশোয়ারে খ্রিষ্টান এলাকায় জোড়া আত্মঘাতী হামলায় ৮০ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছিলেন।
তথ্যসূত্র : ডন।