পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: পার্বতীপুরে উত্তর শালন্দার কাছারী দাখিল মাদ্রসা থেকে সরকারী বই পাচার করে বিক্রির সময় এলাকাবাসী হাতে নাতে আটক করে। এলাকাবাসী সরকারী বই পাচারের অভিযোগে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে লিখিত অভিযোগ করলে ৭ মাস পর অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়। তদন্তের ৪ মাস পর মাদ্রসার সুপার মমতাজ উদ্দিনকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। সভাপতি বলেন, সুপারের বিরুদ্ধে আরো একাধিক দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের উত্তর শালন্দার কাছারী দাখিল মাদ্রসার সুপার মমতাজ উদ্দিন ও দপ্তরী এজান হক মিলে মাদ্রায়ায় বিনা মুল্য ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিতারনের জন্য এক বস্তা নতুন সরকারী বই বিক্রি করে। পাচার করে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী মৃত্যু খয়ের উদ্দিনের পুত্র আবুল বেপারী মৃত্যু জসব মন্ডলের পুত্র রহিম উদ্দিন হাতে নাতে আটক করেন। পরে এলাকার আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সভাপতি মজিবর রহমান সহ অনেক গন্য মান্য ব্যক্তি দের ডেকে বই গুলি পার্শ্ববর্তী সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ে জমা রাখেন। এ নিয়ে গত ২১ এপ্রিল রহিম উদ্দিন স্বাক্ষরীত মাদ্রায়ায় বিনা মুল্য ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিতারনের জন্য এক বস্তা বই খোলা বাজারে বিক্রি বিষয়ে সরজমিন তদন্ত করে সুষ্ট বিচারের আবেদন করলে কর্তৃপক্ষ দীর্ঘ ৭ মাস পর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সমসের আলী তদন্ত শুরু করেন। দীর্ঘ প্রায় ৪ মাস তদন্তের পর গত ১০ ফেব্রুয়ারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহেনুল ইসলাম সাদ্রাসায় গিয়ে সুপারকে উপস্থিত না পেয়ে সভাপতি বেলাল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্তের জন্য বলে আসেন। পরে মাদ্রাসার সভাপতি বেলাল হোসেন গত ৫ মার্চ’১৪ সুপার মমতাজ উদ্দিনকে বরখাস্ত করেন।
সভাপতি বেলাল উদ্দিন আজ বুধবার দুপুরে বলেন, সুপারের বিরুদ্ধে আরো একাধিক দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তাকে হয়তো একবারে চাকুরি থেকে বরখাস্ত হরা হতে পারে।