• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

যক্ষ্মা হলে আছে রক্ষা

tbলাইফস্টাইল ডেস্ক: কিছুদিন আগেও এর কোনও চিকিৎসা ছিলো না বলে বলা হতো মরণরোগ। প্রবাদও ছিল, ‘যক্ষ্মা হলে রক্ষা নাই’। তবে দিন বদলেছে। সচেতনতার সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হয়েছে যক্ষার ওষুধও। প্রবাদও এক লাইন বেড়েছে, ‘এই কথার ভিত্তি নাই’। এই সংক্রামক রোগটি ছড়ায় মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামের এক জীবাণু। যার ফলে কাশতে কাশতে এবং শরীর দূর্বল হতে হতে নিঃশেষ হয় জীবন। সেজন্যেই এর আরেকটি নাম ‘ক্ষয় রোগ’।
পৃথিবীজুড়ে আজকের দিনটি বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। জেনে নিন এসম্পর্কে কিছু প্রাথমিক তথ্য-
লক্ষণ ও উপসর্গ

ফুসফুসে যক্ষ্মা হলে হালকা জ্বর ও কাশি হতে পারে। কাশির সঙ্গে গলার ভিতর থেকে থুতুতে রক্তও বেরোতে পারে। এরকম তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কাশি থাকলে, জ্বর বা কাশির সঙ্গে ওজন কমে যাওয়া ও বুকে ব্যথা, দুর্বলতা ও ক্ষুধামন্দা ইত্যাদি ফুসফুসে যক্ষ্মার প্রধান উপসর্গ।

যেভাবে ছড়ায়

বাতাসের মাধ্যমে যক্ষা রোগের জীবাণু ছড়ায়। রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে রোগের জীবাণু বাতাসে গিয়ে মিশে এবং রোগের সংক্রমণ ঘটায়।

প্রতিরোধ করার উপায়

– জন্মের পর পর প্রত্যেক শিশুকে বিসিজি টিকা দেওয়াই প্রথম এবং প্রধান প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

– হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় রুমাল ব্যবহার করা।

– যেখানে সেখানে থুথু না ফেলা।

– রোগীর কফ থুথু নির্দিষ্ট পাত্রে ফেলে তা মাটিতে পুঁতে ফেলা।

যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা

বাংলাদেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল, বক্ষব্যাধি ক্লিনিক বা হাসপাতাল, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র, এনজিও ক্লিনিক ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সমূহে বিনামূল্যে কফ পরীক্ষা, রোগ নির্ণয়সহ যক্ষার চিকিৎসা করা হয় ও ঔষধ দেওয়া হয়। স্বল্পমেয়াদী পদ্ধতিতে সরাসরি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে যক্ষা রোগের চিকিৎসা করা হয়। এজন্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রোগের ধরণ, মাত্রা এবং রোগীর বয়স অনুসারে ঔষধের কোর্স সম্পূর্ণ করতে হবে।

তবে আতঙ্কের খবর হলো, এখন পর্যন্ত পৃথিবীর যক্ষ্মা রোগীদের এক তৃতীয়াংশেরও বেশী ভারতীয় উপমহাদেশবাসী। তাই যক্ষ্মামুক্ত হতে চাইলে প্রয়োজন সচেতনতা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ