• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে স্বাধীনতার প্রথম শহীদ মাহাতাব বেগ স্মরণে উদীচী’র আলোচনা সভা ও গণসংগীত

ccরইজ উদ্দিন রকি : ১৯৭১ এর মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে আজকের এই দিনে সৈয়দপুরের প্রথম শহীদ এসএম মাহাতাব বেগ স্মরণে আলোচনা সভা ও গণসংগীতে আয়োজন করা হয়। স্মৃতি অম্লান চত্বরে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী সৈয়দপুর শাখার উদ্যোগে ওই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সরকারী কারিগরী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ড. আমীর আলী আজাদের সভাপতিত্বে ও উদীচী’র সাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রঞ্জুর উপস্থাপনায় বক্তব্য বলেন, সৈয়দপুর মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান হাফিজ, সাবেক এমপি আলিম উদ্দিন, শহীদ মাহাতাব বেগের সন্তান সালাউদ্দিন বেগ, উদীচী জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক নারায়ন অধিকারী, সাবেক মেয়র ও শ্রমিক নেতা আখতার হোসেন বাদল, যুবলীগ নেতা মহসিনুল হক মহসিন, মাস্টার রুহুল আমিন ও এ্যাড. সুজাউদ্দৌলা, শহীদ সন্তান সাংবাদিক এম আর আলম ঝন্টু, ইফাত জাহান কলি প্রমুখ।
সভায় শহীদের স্মৃতি উম্মোচন করে বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আজকের এই দিনে গোটা সৈয়দপুর হাজার হাজার বাঙ্গালী চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেছিল। তার পূর্ব রাত ছিল ২৩ মার্চ। এ রাতে শহরের সমস্ত বাঙ্গালীকে নিধন করা হবে বলে গ্রামাঞ্চলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। এরই প্রেক্ষিতে ২৪ মার্চ বাঙ্গালীরা যার যা ছিল তাই নিয়ে পুরো শহর ঘেরাও করে। পার্শ্ববর্তী রাবেয়া মিল এলাকা হয়ে মাহাতাব বেগ হাজার হাজার লোক নিয়ে বাঙ্গালীদের রক্ষার জন্য শেরে বাংলা স্কুলের দিকে এগিয়ে আসে। ঠিক তখনি পাকিস্তানের কিছু হিংস্র মানবতা বিরোধী নরপশু মাহাতাব বেগকে লক্ষ্য করে গুলি করে মাটিতে ফেলে দেয়। এর পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীর থেকে মাথা আলাদা করে ফেলে। এমনকি সেদিন এ রক্তমাখা মাথা নিয়ে বাঁশবাড়ী ও মিস্ত্রিপাড়ায় স্বাধীনতা বিরোধী পক্ষ্য উল্লাস মিছিল বের করেছিল। আমরা অনেক চেষ্টা করেও আমাদের পিতার লাশ এবং মস্তক উদ্ধার করতে পারিনি। স্বাধীনতার পরও অনেক চেষ্টা করেছি কোন খোজ বের করা সম্ভব হয়নি। আজও তার পরিবারের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. ওয়াহেদ বেগ ও মীর্জা সালাউদ্দিন বেগসহ গোটা পরিবার দুঃখ আর অনুশোচনা নিয়ে বেঁচে আছে। আলোচনা শেষে গণসংগীত পরিবেশন করেন হোসনে আরা লিপি, রোবায়েতুর রহমানসহ উদীচী শিল্পীবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ