• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে সূচনা হলো চা চাষের

Teaকৃষি ডেস্ক: নীলফামারী জেলায় চা চাষের সূচনা ঘটালো নীলসাগর গ্রুপের অঙ্গ সংগঠন অনুভব ফাউন্ডেশন।মঙ্গলবার বিকেলে জেলা সদরের গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোবাডাঙাগা গ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে চারা রোপনের মাধ্যমে এর সূচনা ঘটান নীলসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আহসাব হাবিব লেলিন।

নীলসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান জানান, নীলফামারীর পার্শ্ববর্তী পঞ্চগড় জেলায় বাণিজ্যিকভাবে চায়ের বাগান গড়ে ওঠেছে। ওই বাগান ঘিরে ব্যাপক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে জেলার আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটেছে।

সেখানকার মাটির তুলনায় নীলফামারীর মাটিও চা চাষের উপোযোগী। কিন্তু উদ্যোগের অভাবে এ জেলায় চা চাষ হচ্ছে না। জেলার মানুষকে উদ্যোগী করে ব্যাপক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে জেলার আর্থ সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে নীলসাগর গ্রুপ এমন চা চাষের শুভ সূচনা ঘটিয়েছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ৫০ বিঘা জমিতে চা চাষের জন্য চারা রোপন করা হচ্ছে। এটিকে পর্যায়ক্রমে আরো ছড়িয়ে দেওয়া হবে। জেলার ছোট বড় কোন কৃষক ক্ষুদ্র আকারে চাষের চাষ করলে কারিগরি সহায়তা করা হবে। আর দরিদ্ররা যদি সমবায় সমিতি করে জমি লিজের মাধ্যমে চায়ের চাষ করতে চায় সে ক্ষেত্রে কারিগরি সহায়তার পাশাপাশি আর্থিক সহযোগীতায় অনুভব ফাউন্ডেশন ঋণ প্রদান করবে।

নীলফামারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সামসুজ্জামান বলেন, নীলফামারীর জমি চা চাষের জন্য উপযোগী। পার্শ্ববর্তী পঞ্চগড়ের ন্যায় এখানেও চায়ের বাগান করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিপ্লব ঘটানো সম্ভব।

নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক আবতাব হোসেন বলেন, চা চাষের জন্য উচু এবং সুনিস্কাসিত জমির প্রয়োজন। সেদিক থেকে নীলফামারীর মাটি উপোযোগী। এখানকার জমি সমতল হলেও বর্ষায় পানি জমে থাকে না। এখানে বন্যার কোন প্রভাব পড়বেনা। জৈবসার প্রয়োগে মাটির সামান্য গুণ পরিবর্তন করে এখানে ব্যাপক চায়ের আবাদ করা সম্ভব।

নীলসাগর গ্রুপের এমন উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সার্বিক সহযোগীর আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ