দিনাজপুর প্রতিনিধি : চিরিরবন্দরে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা একটি নৈশকোচে পাথর ছুড়ে মেরেছে। তাদের ছোড়া পাথরের আঘাতে মো. রফিক (৪২) নামে নৈশ কোচচালক আহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা আহত অবস্থায় নৈশ কোচচালককে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে। রোববার (১২ এপ্রিল) সকাল ৭টায় দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের চিরিরবন্দর উপজেলার রাণীরবন্দরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দিনাজপুরগামী রোমার পরিববহনের এক বাস সকাল ৭টায় রাণীরবন্দর এলাকায় পৌঁছালে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা বাটুল দিয়ে পাথর ছুড়ে মারে। এ সময় ওই বাসের কাঁচ ভেঙে গিয়ে চালকের মাথায় আঘাত লাগে। এতে চালকের মাথা ফেটে যায়। স্থানীয় লোকজন চালককে উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
এদিকে শনিবার রাতে মানবতাবিরোধী মামলায় জামায়াত নেতা মহাম্মদ কামারুজ্জামানের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হবে এমন সংবাদের পর সন্ধ্যা থেকেই সব দোকান-পাট বন্ধ হয়ে যায়। জনশূন্য হয়ে পড়ে চিরিরবন্দর উপজেলার রাণীরবন্দর বাজার। রায় কার্যকরের পর উপ্তত্ত হয়ে উঠে রাণীরবন্দর এলাকা। বিভিন্ন স্থান থেকে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল হামলা চালায়।
পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে ফাকা গুলি বর্ষণ করে। গভীররাত পর্যন্ত গুলির শব্দ পাওয়া গেছে বলে স্থানীয় এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা সকালে একটি যাত্রীবাহী বাসে ইট-পাটকেল ছুড়ে। তারা শনিবার রাতে পটকা বিস্ফোরণ ঘটালে পুলিশ তাদের নিবৃত্ত করতে ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।