• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

গণধর্ষণের শিকার দুই বান্ধবী

Dorsonঢাকা : সালমা আক্তার (ছদ্মনাম) ও সালমা বেগম (ছদ্মনাম) দুজনের নাম একই এবং পরস্পর বান্ধবী। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার বৈদ্যুতিক সুইচ উৎপাদনের একটি কারখানায় তারা এক সঙ্গে কাজ করেন। ২৭ এপ্রিল সালমা আক্তারের মা গ্রামের বাড়িতে যায় বেড়াতে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে সালমা বেগমের বাসায় রাতে ঘুমাতে আসেন সালমা আক্তার। ওই রাতেই তারা দুজনেই গণধর্ষণের শিকার হয়। তাদের দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ঢামেক হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে। যাত্রাবাড়ী থানার এসআই আব্দুল্লাহ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সালমা আক্তার (১৪) ও সালমা বেগম (১৪) একই কারখানায় কাজ করে। তাদের নামও একই। ২৭ এপ্রিল সালমা আক্তারের মা গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যায়। ওই দিন রাতে সালমা বেগমের বাসায় ঘুমাতে আসেন সালমা আক্তার। সন্ধ্যার দিকে সালমা বেগমের মামাতো ভাই বেল্লাল ফলের জুস নিয়ে তার বাসায় আসেন। গল্প করতে করতে তাদের দুজনকেই জুস খাইয়ে দেয় বেল্লাল। এরপর তারা দুইজনেই অচেতন হয়ে পড়ে। এরপর বেল্লাল আরো তিন যুবককে ওই বাসার ভেতরে প্রবেশ করান। এরপর তারা পালাক্রমে দুই তরুণীকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি সকালে জানাজানি হয়ে যায়। প্রথমে ধর্ষণের বিষয়টি লুকানোর চেষ্টা করে দুই তরুণীর পরিবার। তবে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ায় বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। এরপর সালমা আক্তারের বাবা ঘটনার তিনদিন পর ৩০ এপ্রিল যাত্রাবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই দুই তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে নিয়ে আসেন। বর্তমানে তারা সেখানেই রয়েছেন।
মামলা দায়েরে বিলম্বের কারণ সম্পর্কে সালমা আক্তারের বাবা আব্দুর রউফ জানান, ঘটনার সময় তার স্ত্রী দেশের বাড়িতে থাকায় পুরো ঘটনাটি মেয়ে তাকে জানায়নি। এছাড়াও নির্বাচনের কারণে পুলিশ সময় দিতে পারেনি। তাই মামলা দায়েরে বিলম্ব হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ