• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

কৃষি আদালত প্রতিষ্ঠার দাবি

AgriCulture-11431162203সিসি ডেস্ক: কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষায় কৃষি আদালত প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন মৎস ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ফজলে হোসেন বাদশা।

শনিবার  জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে কেন্দ্রীয় কৃষক মৈত্রি ও এশিয়ান ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগীতায় একশনএইড বাংলাদেশ আয়োজিত ‘কৃষি ও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় বহুপাক্ষিক সংলাপ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, সরকারি কৃষি নীতির মধ্যে রয়েছে ফসল তোলার মৌসুমে সরকার কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান-গমসহ অন্যান্য ফসল কিনবে। এজন্য দেশের প্রায় সব উপজেলাতে কৃষি গুদাম স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু কিছু মধ্যস্বত্ব ভোগী মনুফাখোরদের কারণে কৃষকরা গুদামের কাছে পর্যন্ত যেতে পারছে না। অথচ সরকার এদের ব্যাপারে একেবারে উদাসীন।

তিনি আরও বলেন, সরকার কৃষকদের কাছ থেকে সরসরি ফসল না কেনায় মধ্যস্বত্ব ভোগীদের কাছে কৃষকদের কম দামে ফসল বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে কৃষকরা ফসলের উৎপাদন খরচও উঠাতে পারছে না। মধ্যস্বত্ব ভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে হলে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কৃষক আদালত প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

প্রস্তাবিত কৃষক আদালতের কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভেজাল সার, বীজ, ঋণ জালিয়াতিসহ কৃষকদের সঙ্গে কোনো রকম প্রতারণা করলে তার বিরুদ্ধে কৃষকরা মাত্র ১০ টাকার ব্যাংক ড্রাফ্ট এর মাধ্যমে মামলা করতে পারে তার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

কৃষক আদালতের বিষয়ে  ইতোমধ্যে একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে জানিয়ে বাদশা বলেন, সরকার যদি এটাকে একটি সরকারি বিল হিসেবে সংসদে উত্থাপন না করে তাহলে প্রয়োজনে বেসরকারি বিল হিসেবে উত্থাপন করা হবে। এতেও যদি সরকার দাবি মেনে না নেয় তাহলে কৃষকদের সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে এ দাবি আদায় করা হবে।

একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবিরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম এম আকাশ, এশিয়ান ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এসথার পেনুনিয়া প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ