• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নতুন বেতনকাঠামোতে বৈষম্যের অভিযোগ

Salary_Structure1431760226সিসি ডেস্ক: নতুন বেতনকাঠামোতে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন স্তরে বেতনবৈষম্যের অভিযোগ এনে তা দ্রুত নিরসনসহ পাঁচ দফা দাবিতে রোববার থেকে আন্দোলনে নামছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ।  ১ জুনের মধ্যে দাবি আদায় না হলে আরো কঠোর কর্মসূচিরও হুমকি দিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব নোমানুজ্জামান আল আজাদ নতুন বেতনকাঠামো পুনর্নির্ধারণের দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- রোববার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ, একই দিন জেলায় জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি পেশ। এর মধ্যে দাবি আদায় না হলে ১ জুন থেকে লাগাতার কর্মসূচি পালন করবে সংগঠনটি।

নোমানুজ্জামান আল আজাদ বলেন, ‘বেতন ও চাকরি কমিশনে অধিকার বঞ্চিত গণকর্মচারীদের কোনো প্রতিনিধি না রেখে নতুন বেতনকাঠামো ঠিক করায় আমাদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। দ্রব্যমূল্যেও ঊর্ধ্বগতির এ বাজারে বর্তমান বেতনকাঠামোতে সর্বনিম্ন ৮ হাজার ২৫০ টাকা প্রদানের সিদ্ধান্ত বৈষম্যমূলক ও অযৌক্তিক। এতে কর্মচারীরা চরম হতাশ ও ক্ষুব্ধ। কর্মচারীদের মতামত ছাড়াই কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ সুযোগ নিশ্চিত করে নিজেদের স্বার্থে এ বেতনকাঠামো চূড়ান্ত করেছেন। শুধু তাই নয়, অধিকার বঞ্চিত কর্মচারীরা আন্দোলন করেই যে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড আদায় করেছিলেন, তা বাতিল করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এই নতুন বেতনকাঠামোতে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, কার্যকরী সভাপতি এম এ হান্নান, কেন্দ্রীয় নেতা বদরুল আলম সবুজ, সেলিম ভূঁইয়া, সৈয়দ সারোয়ার হোসেন, ছালজার রহমান, আম্বিয়া বেগম পলি, আবুল কালাম, এম এ ওয়াদুদ, কে এম আফজাল, মো. মানিক মিয়াম মোজাম্মেল হক, মো. আজিম, মনির আহম্মদ, রোকনুজ্জামান, মনির হোসেন, মনিরুল হক, সাজেদুল হক প্রমুখ।

সংগঠনের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্যমূল্যে পুলিশের ন্যায় মানসম্মত রেশন প্রদান, শতভাগ বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, সন্তানদের শিক্ষা ভাতা, টিফিন ভাতা, ঝুঁকি, পাহাড়ি ও দুর্যোগ ভাতা, জুডিশিয়াল ভাতা, সাজপোশাক ভাতা, বেতনের সঙ্গে প্রদানসহ অস্থায়ী কর্মচারীদের নিয়মিতকরণ, পদবি পরিবর্তন করার দাবি করে আসছি। কিন্তু এতে সরকারের ভূমিকা দৃশ্যমান নয়। বরং নতুন বেতনকাঠামোতে চরম বৈষম্য করা হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে দাবি আদায়ে আন্দোলনে নেমেছি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ