চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুর শহরের ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে ১৫০ বছর যাবত অবস্থান রত বেদে পল্লী উচ্ছেদ করার পায়তারা লিপ্ত হয়েছে একদল ভূমিদস্যু। স্থায়ীভাবে মেঘনা নদীর পাড়ে লিজ নিয়ে থাকার জন্য জেলা প্রশাসকের বরাবর আবেদন করে বেদে সম্প্রদায়রা। তাদের পূর্ব পরুষের ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার জন্য ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে বেপারী বাড়ি সংলগ্ন জেলা প্রশাসকের খাস ভূমিতে ভাসমান অবস্থায় থেকে ২শ’৭০ পরিবার বর্তমানে তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে। বেশ কয়েকবার এই বেধেদের উচ্ছেদ করার জন্য স্থানীয় ভূমি দস্যুরা সন্ত্রাসী হামলা ভাংচুর অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে। তারপরেও তাদের ঐহিত্য টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে দীর্ঘ বছর যাবত ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে অবস্থান করে বসবাস করছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎ বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা ও চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ কে ভুল তথ্য প্রদান করে ভূমি দস্যুরা বেদে পল্লী নতুন বসতঘর তৈরি হচ্ছে বলে তাদেরকে উচ্ছেদ করার জন্য জানায়। পরে বিআইডব্লিউটির কর্মকর্তা তাদের কাগজপত্র ও লীজ আবেদনের এক কপি রেখে সেখান থেকে চলে আসে। জানাযায়, ১নং খাস খতিয়ান ভূক্ত ৬৫৯ দাগে ৫নং ঘাট বেপারী বাড়ি সংলগ্ন খালি ভূমিতে বেধে সম্প্রদায়রা গুচ্ছ গ্রাম করার জন্য ২৭-০৩-১৩ সালে জেলা প্রশাসক কাছে লীজ আবেদন করে। তাদের আবেদন পত্রে চাঁদপুরের ৩ আসনের এমপি ডা. দীপু মনি ৪ আসনের এমপি ড. শামছুল হক ভূইয়াসহ পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম দুলাল পাটওয়ারী বেধে দের লীজ দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেন। তাদের কে লীজ দেওয়া যেতে পারে জেলা প্রশাসক ঈসমাইল হোসেন আসস্ত করেন। এছাড়া বেধে সম্প্রয়দারা নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খানের বরাবর দরখাস্ত করেন ও জেলা প্রশাসককের কার্যালয়ের সামনে মানব বন্ধন করেন। কিন্তু এই বেদে পল্লী উচ্ছেদ করার জন্য ঐ এলাকার ভূমি দস্যুরা বিভিন্ন গুজব ছড়িয়ে প্রশাসন কে ভিভ্রান্তি করে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে বেধে পল্লীবাসী জানায়।