• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

স্ত্রী নির্যাতন : র‌্যাব সদস্য নূর জেলহাজতে

nbjjসিসি নিউজ : পঞ্চগড়ে নারী নির্যাতনের মামলায় র‌্যাব সদস্য নূর আলমকে (বিপি-৭৬০৪১০৮৯৮৯) জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। তার স্ত্রী ছাবিলা ইয়াসমিন ছবির দায়ের করা মামলায় আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠান।

ছাবিলা ইয়াসমিন ছবি অভিযোগ করেছেন, আসামিপক্ষ তার বাবা ও ভাইকে ক্রসফায়ারে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। বিষয়টি অবগত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য র‌্যাব মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, বোদা উপজেলার বড় ঝাড়বাপাড়া গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে র‌্যাবের এসআই নূর আলমের সঙ্গে ২০১৪ সালে একই উপজেলার মমিনপড়া গ্রামের আব্দুস সামাদ আজাদের মেযে ব্র্যাকের প্রশিক্ষক ছাবিলা ইয়াসমিন ছবির বিয়ে হয়। নীলফামারী জেলায় ব্র্যাকের প্রশিক্ষক হিসেবে চাকরিরত অবস্থায় ছবির সঙ্গে তৎকালীন পুলিশের এসআই নূর আলমের পরিচয় হয়। উম্মে কুলসুম নামে তার আরও এক স্ত্রী থাকলেও বিয়ের সময় তিনি তা গোপন করেন।

বিয়ের পর ছবিকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করেন তিনি। বিয়ের কয়েক মাস যেতে না যেতেই নূর আলম ও তার বাবা-মা ৫ লাখ টাকা যৌতুক চেয়ে ছবির ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন। এরই মধ্যে ছবি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় নূর আলম ছবিকে তার বাবার বাড়িতে রেখে যান। এরপর থেকে নূর আলম ছবির সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ছবি একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দেন। সন্তান জন্মের ৫ মাস অতিবাহিত হলেও নূর আলম ছবির সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রাখেন। এ ঘটনায় ছাবিলা ইয়াসমিন ছবি বাদী ১৫ ফেব্রুয়ারি পঞ্চগড়ের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নূর আলম, শ্বশুর ফয়েজউদ্দিন ও শাশুড়ি নূরজাহানের নামে যৌতুক নিরোধ আইনে একটি মামলা করেন।

এরপর আদালতের বিচারক মার্জিয়া খাতুন আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। আসামি নূর আলমসহ তিনজনই আদালতে হাজির হয়ে বিষয়টি আপস করবেন বলে জামিন নেন। কিন্তু জামিন নিয়ে বিষয়টি আপস না করায় তার বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। নূর আলম বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আদালতে হাজির হয়ে আবারও জামিন আবেদন জানান। ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতের বিচারক এস এম শফিকুল ইসলাম তার জামিন না মঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিচারক তার বাবা-মাকে আবারও জামিন দেন।

বাদী ছাবিলা ইয়াসমিন ছবি জানান, তার স্বামী একজন নারী নির্যাতনকারী ও যৌতুক লোভী। তার শাস্তি হওয়া দরকার। নূর আলম তার বাবা ও ভাইকে ক্রসফায়ারে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন ছবি।

সূত্র: উত্তরবাংলা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ