• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

ইফতারিতে খেঁজুরের উপকারিতা

download।। ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু ।। বিজ্ঞানময় ইসলাম। এতে নেই সন্দেহের অবকাশ। বিজ্ঞান যত এগিয়ে যাচ্ছে ইসলাম তত শক্তিশালী হচ্ছে।

অথচ শ্রেষ্ঠ মানব হযরত মুহাম্মদ (স.) যিনি একজন উম্মী ছিলেন তিনি কিভাবে এতটা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন তা নিয়ে বছরের পর বছর চিন্তা করলেও কুলকিনারা পাওয়া সম্ভব নয়। এতেই প্রমানিত হয় ইসলাম কোন মানব প্রচারিত নয়। এটি মহান আল্লাহর মনোনীত।

রমযান মাস আসলে খেঁজুর ছাড়া আমাদের চলে না। অনেকেই জানেন না ইফতারিতে এটি খেলে উপকারিতা কি? কিন্তু মহানবী (স.) দেড় হাজার বছর আগেই জানিয়েছেন এর উপকারিতা। হাদীসে আছে, রসূল (স.) বলেছেন, ‘খেঁজুর দ্বারা ইফতার করলে এর উপকারিতা অনেক।’ অন্য একটি হাদীসে আছে, ‘তোমরা খেঁজুর দিয়ে ইফতার কর না পারলে পানি দ্বারা, এতেই কল্যান নিহিত।’

আল কুরআনের সুরা মারইয়ামে আছে যখন মারইয়াম (আ.) প্রসব বেদনায় কষ্ট পাচ্ছিলেন তখন তাকে বলা হল ফ্রেশ পাকা খেঁজুর তার প্রসব সহজ করবে।
তাই বলা যায় খেঁজুরের উপকারিতা নি:সন্দেহে অনেক। বর্তমানে তা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত হয়েছে। কুয়েত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরিচালিত ‘খেঁজুরের উপকারিতা’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্প থেকে জানা গেছে খেঁজুরের গুণাগুণ। এ গবেষনায় গবেষকরা দেখতে চেয়েছেন খেঁজুর রোজাদারদের জন্য কতটা স্বাস্থ্যসম্মত। গবেষনায় দেখা গেছে খেঁজুর ইফতারিতে রোজাদারদের স্বাস্থ্যের জন্য ছয়টি উপকারি ভুমিকা রাখে।

১. খেঁজুর সহজ পাচ্য। সারাদিন অভুক্ত থাকার পর খেঁজুর খেলে পাকস্থলির ওপর কোন চাপ পড়ে না।

২. খেঁজুরে যে শর্করা থাকে তা দ্রুত শোষিত হয়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে শরীর দ্রুততার সঙ্গে শক্তি পায়। সারাদিনের ক্লান্তি, কষ্ট লাঘব হয় নিমিষেই।

৩. এতে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকে। রোজা রাখলে পানি কম পান করা ছাড়াও বিভিন্ন কারণে কোষ্ঠ্যকাঠিন্যে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। কিন্তু খেঁজুর খেলে এ সম্ভবনা কমে যায়।

৪. সারাদিন অভুক্ত থাকার পর মন চায় খাই আর খাই। এতে কিন্তু রোজার আদর্শ ঠিকমত পালিত হয় না। আবার এতে পাকস্থলির ওপর চাপ পড়ে। রোজা রাখলে যেসব উপকার পাওয়া যায় তাও ব্যাহত হয়। ইফতারিতে খেঁজুর খেলে ক্ষুধা ভাব কমায়। ফলে কমে যায় অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা।

৫. খাবার ডাইজেস্ট বা পরিপাকের জন্য পাকস্থলি থেকে নি:সৃত রস গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। খেঁজুর পাকস্থলি থেকে রস নি:সরণ হার বাড়িয়ে খাবার পরিপাকে সহায়তা করে।

৬. রক্তের অম্ল-ক্ষার ভারসাম্য রাখে।

সংগৃহিত


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ