খেলাধুলা ডেস্ক: প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগে বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেছিলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের একমাত্র অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান।’
মাশরাফির কথায় কোনো ভুলও নেই। সাকিব আল হাসান একমাত্র ক্রিকেটার, যিনি দেশের বাইরে প্রতিটি বিদেশি লিগে দাপটের সঙ্গে খেলে যাচ্ছেন। আইপিএল, বিগ ব্যাশ, এসএলপিএল, সিপিএল, কাউন্টি লিগ প্রতিটিতেই সাকিব খেলেছেন।
জাতীয় দলের হয়ে ৩৭টি টি-টোয়েন্টি খেললেও সাকিব ঘরোয়া লিগগুলোতে এখন পর্যন্ত ১৫০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। অভিজ্ঞতার দিক থেকে সাকিব চূঁড়ায় অবস্থান করছেন। কিন্তু রোববার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একা ম্যাচ বের করে নিয়ে আসতে পারেননি! তবে সাকিবের সতীর্থ সৌম্য জানালেন সাকিবের সঙ্গে আরেকজন টপ অর্ডার কিংবা মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান থাকলে বাংলাদেশ ম্যাচটি জিতে যেত।
সোমবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে সৌম্য সরকার বলেন, ‘সাকিব ভাই যদি শেষ পর্যন্ত থাকতেন, তাহলে ম্যাচ বের করে নিয়ে আসতে পারতেন। অথবা তার ওপরের দিকে আমরা যারা ছিলাম, আমরা কেউ ভালো করলে হয়ত আরো ভালো হতে পারত। ওনার (সাকিব) পর্যন্ত যাওয়াই লাগত না।’
টি-টোয়েন্টিতে তিনে ব্যাটিং করেন সাকিব। সৌম্য ও তামিমের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পরপরই মাঠে নামতে হয় সাকিবকে। কিন্তু আউট হওয়ার আগে নিজের নামের পাশে ৩০ বলে ১ চার ও ১ ছক্কায় ২৬ রান যোগ করেন। এর আগে বল হাতে নেন ১ উইকেট।
বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার প্রসঙ্গে সৌম্য সরকার আরো বলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে উনি (সাকিব) আমাদের সবার চেয়ে বেশি অভিজ্ঞ। উনি আমাদের সাপোর্ট দেন সব সময়। তবে আমরা এখন যে শুধু ওনার ওপরই নির্ভরশীল, তা কিন্তু নয়। হয়ত বা আগে ছিলাম। এখন কিন্তু সবাই পারফর্ম করছে, আমাদের ফল ভালো হচ্ছে। তবে উনি ভালো করলে অনেক ভালো হয়। ওনার কাছ থেকে আমরা যারা জুনিয়র আছি, অনেক কিছু শিখছি। উনি আমাদের যেভাবে বলেন, যে প্ল্যান দিচ্ছেন, সেটা আমরা নিতে পারলে ভবিষ্যতে ভালো হবে।’