স্বাস্থ্য ডেস্ক: যেকোন উৎসব আনন্দে মেহেদি (ছাড়া যেন জমেনা। একহাত ভরা নানা ডিজাইনের গাঢ মেহেদির রং আনন্দের মাত্রা যেন আরো বেশী বাড়িয়ে দেয়। আর যদি ঈদের কথা ধরি তাহলে মেহেদি ছাড়া ঈদ অসম্পূর্ণ, চাঁদ রাতে বাড়ির মেয়ে আর বাচ্চারা মেহেদি নিয়ে যে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি করে তার তুলনা হয় না। তবে মেহেদি লাগাতে গিয়ে কিছু কিছু বিষয় মনে রাখা ভীষণ জরুরী।
মেহেদী লাগাতে গিয়ে যে বিষয়গুলো মনে রাখবেন:
- মেহেদি হাতে লাগানোর আগে হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। খেয়াল রাখুন যাতে করে হাতে তেল অথবা কোন ক্রিম জাতীয় কিছু না লেগে থাকে। তা না হলে আপনার হাতে ভালো রং আসবে না।
- মেহেদি হতে হবে ভালো মানের। হাতে সুন্দর আলপনা করতে নিজে না লাগিয়ে একজন সহযোগী দিয়ে করাতে পারেন। অনেক সময় নিজে নিজের হাতে ঠিকঠাক আলপনা তোলা যায়না।
- যেনোতেনো ভাবে মেহেদি লাগালেই সুন্দর লাগবে এমনটা নয়, মেহেদি লাগানোর আগে আপনার পোশাকের ধরণ খেয়াল করুন। শাড়িতে যে আলপনা মানায় অন্য পোশাকে তা মানাবে না।
- গাঢ রং পেতে মেহেদি লাগানোর পর কমপক্ষে ছয় সাত ঘণ্টা রাখলে ভালো হয়। সব থেকে ভালো হয় রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি লাগান, সারারাত মেহেদি হাতে থাকবে এতে রং পাকা হবে। রঙের স্থায়িত্ব বাড়াতে মেহেদি উঠানোর পর লেবুর রস লাগান।
- যদি চান মেহেদি হাতের কনুই পর্যন্ত লাগাবেন তাহলে ভারী বা জমকালো ডিজাইন না করে পাতলা আর হালকা ডিজাইন বেছে নিন। এতে সুন্দর ভাবে আলপনা ফুটে উঠবে।
- যারা বাজারের মেহেদি লাগাতে অনিচ্ছুক তারা গাছের মেহেদি মিহি করে বেঁটে নিয়ে চায়ের লিকার মিশিয়ে টিউবে করে লাগাতে পারেন। এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নাই তাই এটি নিরাপদ।
- মেহেদির সাঁজ সুচারুরূপে ফুটিয়ে তুলতে আপনার হাতটি আগে মেনিকিউর করিয়ে নিন। যারা নখে নেইলপলিশ লাগাতে চাননা তারা মেনিকিউর করা হাতের নখে অনায়াসে মেহেদি পরতে পারেন।
- বাজারের টিউবের মেহেদিতে রাসায়নিক উপাদান বিদ্যমান, তাই যাদের অ্যালার্জি সমস্যা আছে তাদের মেহেদি পর অ্যালার্জির বেড়ে যেতে পারে। তাই সাথে সাথে ওষুধ খেয়ে নিন।