অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক: কথা দিয়েও আশুলিয়ায় ব্যাংক ডাকাতদের ধরতে গিয়ে গুলিতে আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ায়নি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসার অভাবে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে আহত ছয় জন। তাদের চিকিৎসার টাকা যোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছে স্বজনরা। কমার্স ব্যাংকে খুনোখুনির পর পালিয়ে যাওয়া ডাকাতদলকে ধরতে ধাওয়া করেছিল এলাকাবাসী। আর তাদের গুলিতে প্রাণ হারায় পাঁচজন, আহত হয় আটজন। বিপদের সময় এগিয়ে আসা গ্রামবাসীর পাশে থাকার ঘোষণা আসে কৃতজ্ঞ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। কিন্তু কথা দিয়ে ভুলে গেছে কমার্স ব্যাংক। আর দুর্দশায় পড়া পরিবারগুলোতে হতাশা এখন নিত্যসঙ্গী।
সুদে ধার করা ৫৩ হাজার টাকায় ডাকাতির ঘটনায় নিহত চাল ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদের মরদেহ হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে আনে তার পরিবার। কথা দিয়েও সে টাকাও ফেরৎ দেয়নি কমার্স ব্যাংক। পা হারিয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে শংকায় গুলিবিদ্ধ সবজি ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলামের পরিবার। ব্যাংকের ভাড়া নেয়া ভবনের মালিক বলছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজ-খবর রাখার চেষ্টা করছেন তিনি। কিন্তু তার একার পক্ষে কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না । এ ব্যাপারে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বারবার চেষ্টা করলেও কথা বলতে রাজি হননি কোন কর্মকর্তা