• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

গানে লাবণ্যর পথচলা

IMG_5496বিনোদন ডেস্ক: গানের মেয়ে লাবণ্য। নাচেও কম যান না। নাচ-গান কে সঙ্গী করে মিডিয়ার পথ পাড়ি দিচ্ছেন। তবে মিডিয়ায় পদচারণার আগেই তার সাফল্যের ঝুলিতে যোগ হয়েছিল অনেক প্রাপ্তি। বড় ভাই গান শিখতেন। বড় ভাইকে যখন গান শেখাতে আসা হত তখন তার পাশে বসে যেতেন লাবণ্য। এভাবেই গানের শুরুটা। নাচের শুরুটাও কাছাকাছি সময়ে। পড়াশোনার পাশাপাশি এই নাচ-গান কে সঙ্গী করেই কাটে তার ছোটবেলা।

সংগীতভুবনে তার যাত্রা শফিক তুহিনের হাত ধরে। এরপর গান করেছেন আরও অনেক অ্যালবামে। এ পর্যন্ত কাজ করেছেন ১৪ টি মিক্সড অ্যালবামে। পাশাপাশি একাধিক শিল্পীর একক অ্যালবামে গান করেছেন কো-আর্টিস্ট হিসেবে। তবে মিডিয়ায় লাবণ্য পরিচিতি পায় অগ্নি সিনেমার ‘তুমি দেখ শ্রাবণের মেঘ’ গানটি দিয়ে। এই গানের সুবাদে এখন পর্যন্ত কাজ করেছেন একাধিক সিনেমার প্লেব্যাকে।

প্লেব্যাক ছাড়াও এতো মিক্সড অ্যালবামে গান করার পরও এখনও কোন একক অ্যালবাম নেই লাবণ্যর। তিনি জানালেন, একটু একটু করে এখন নিজের প্রথম একক অ্যালবামের কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন। ২০১৫ সালে শেষ দিকে কিংবা ২০১৬ সালের শুরুর দিকে অ্যালবামটি প্রকাশ করার ইচ্ছে আছে। সেই লক্ষেই কাজ করে যাচ্ছি এখন।’

যেহেতু প্রথম একক অ্যালবাম তাই কোন প্রকার ছাড় দেওয়ার ইচ্ছে নেই তার। নিজের সেরাটা দিয়ে অ্যালবামটি সাজানোর চেষ্টা করছেন। গানের মত নাচেও সমান ব্যস্ততা লাবণ্যর। ২০১৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে আয়োজিত একটি নাচের অনুষ্ঠানের জন্য নেপাল ঘুরে এসেছেন লাবণ্য। মে মাসের শেষের দিকে আবার যাবেন রাশিয়া। একসঙ্গে নাচ-গান-পড়াশোনা কিভাবে চালাচ্ছেন? উত্তরে লাবণ্য বলেন, ‘সবগুলোকে সমান গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। যখন যেটাতে বেশি সময় দেওয়ার দরকার তখন সেটাতেই বেশি সময় দিই। এজন্য তেমন সমস্যা হয় না।’

প্রত্যেক শিল্পী তার আদর্শ হিসেবে কাউকে না কাউকে মানেন। লাবণ্য কাকে তার আদর্শ হিসেবে মানেন? উত্তরে লাবণ্য বলেন, ‘দেশের মধ্যে সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সামিনা চৌধুরীর গান তার ভালো লাগে। তাছাড়া আশা ভোঁষলে, শ্রেয়া ঘোষালের গানও আমার ভালো লাগে।’ যাদের আদর্শ শিল্পী হিসেবে মানেন তাদের মতো নিজেকে তৈরি করার জন্য পরিশ্রম করে যাচ্ছেন লাবণ্য। আর এক্ষেত্রে তাকে সবসময় সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছেন তা মা এবং ভাই। পরিবারের মানুষের এই সাপোর্ট এবং শ্রোতা-দর্শকদের ভালোবাসা নিয়েই আজীবন কাজ করে যেতে চান এই শিল্পী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ