• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীর ৪ ছিটমহলবাসী হচ্ছে বাংলাদেশী

photo-30.07.15নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলায় ৪টি ছিটমহলের জনগননায় ১১৯টি পরিবারে ৫৪৫ জন সদস্য ৩১ জুলাই থেকে বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে যাচ্ছে। ৪টি ছিটমহলের কোন পরিবার সদস্য ভারতে যেতে জনগনার সময় আবেদন করেনি। ১১৯টি পরিবারের সকল সদস্য বাংলাদেশে থাকার জন্য জনগননায় স্বাক্ষর করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায় ২০১১ সালের ১৫ জুলাই হতে ১৮ জুলাই পর্যন্ত জনগণনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার অভ্যন্তরে ৪টি ছিটমহলের জরিপে ১১৯টি পরিবারের ৫০৬ জন জনসংখ্যা ছিল। ২০১৫ সালের জনগণনায় পরিবারের সংখ্যা ঠিক থাকলেও জনসংখ্যা দাড়িয়েছে ৫৪৫ জনে। এর মধ্যে পুরুষ ২৮১ ও নারী ২৬৪ জন। এবারের জরিপে শিশু জন্ম ,বিয়ে ও মৃত্যুর হিসাব যোগ বিয়োগ করা হয়। বিয়ের কারনে যেসব মেয়ে ছিটমহলের বাহিরে বাংলাদেশের ভুখন্ডে চলে গেছে তাদের জরিপে বাদ দেয়া হয়েছে। আবার বাংলাদেশের ভুখন্ড থেকে ছিটমহলে যে সব মেয়েদের বিয়ে হয়েছে তাদের এই জরিপে সংযুক্ত করা হয়। এ ছাড়া অনেকে মৃত্যু বরন করায় তারাও বাদ গেছে বর্তমান জরিপে। আর বয়স বেশি হওয়ার কারনে বাদ দেওয়া হয়েছে ১ জনকে।

সুত্র মতে ২০১১ সালে ২৮ নম্বর বড়খানকী ছিটমহলে ২১ পরিবারের ৮৬ জন সংখ্যা ছিল। এবারের জরিপে এই ছিটমহলে পরিবারের সংখ্যা ঠিক থাকলেও ৩ জন বৃদ্ধি পেয়ে মোট জনসংখ্যা দাঁিড়য়েছে ৮৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৫ ও নারী ৪৪ জন। ২৯ নম্বর বড়খানকীবাড়ি গিদালদহ ছিটমহলে ২০১১ সালে পরিবারের সংখ্যা ৪৫। । এবারে  জনসংখ্যা ৮ জন বৃদ্ধি পেয়েছে দাঁড়িয়েছে ১৯৪ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৯৬ জন ও নারী ৯৮ জন। ৩০ নম্বর  বড়খানকীবাড়ী খারিজা গীতালদহ ছিটমহলে ২০১১ সালে ৮ পরিবারের  সংখ্যা ছিল ৩৭ জন। এবার জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ২৪ জন ও নারী ১৮ জন। ৩১ নম্বর নগর জিগাবাড়ি ছিটমহলে ২০১১ সালে ৪৫টি পরিবারের জনসংখ্যা ছিল ১৯৭ জন। ২০১৫ সালের জরিপে এখানে জনসংখ্যা ২৩ জন বৃদ্ধি পেয়ে মোট জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২০ জনে। এরমধ্যে পুরুষ ১১৬ জন ও নারী ১০৪ জন। ডিমলা উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা এমদাদুল হক জানায়, ২০১১সালের চেয়ে চলতি বছর ৩৯জন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি জানান তারা সকলে বাংলাদেশের থাকার জন্য স্বাক্ষর করেছেন। ৪টি ছিটমহলে মোট জমির পরিমান ১৭৪ দশমিক ০৩ একর।
এদিকে ছিটমহলগুলোতে ৩১ জুলাই রাত ১২টা ১মিনিট থেকে বাধ্যযন্ত্র বাজিয়ে আনন্দ উল্লাস ও নৈশ ভোজের আয়োজন করা হয়েছে । খগাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিথন জানায়, দীর্ঘ ৬৮ বছর বন্দীদশা থেকে মুক্তি উপলক্ষে ছিটমহলবাসীরা এই আনন্দ উৎসবের আয়োজন করেছেন। ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, সরকারী ভাবে কোন কর্মসূচির খবর পাওয়া যায়নি তবে পুলিশ প্রশাসন ছিটমহল বাসীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ