• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

গুদাম কর্মকর্তার পকেটে গম বিক্রেতার টাকা

দুর্নীতিসিসি ডেস্ক: জেলার রৌমারী উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) দুই ব্যবসায়ীর ১২ টন গম বিক্রির ৩ লাখ ৩৬ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্বসাৎ করায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পাওনা টাকা নিয়ে গুদাম কর্তকর্তা আবু বক্কর এর সাথে গম ব্যবসায়ী পরেশ চন্দ্র সাহা ও আবিদ শাহনেওয়াজ তুহিন এর মধ্যে হাতা-হাতি হলে আত্বসাতের এ ঘটনাটি ফাঁস হয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাৎক্ষনিক গুদাম কর্মকর্তাকে ডেকে ঐ ব্যবসায়ীদের সাথে সমঝোতা করে আগামি রোববারের মধ্যে টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেয়।

জানা গেছে, প্রায় আড়াই মাস পূর্বে ঐ ২ গম বিক্রেতা রৌমারী খাদ্য গুদামে ১২ টন গম বিক্রয় করেন। ঐ গমের মূল্য ৩ লাখ ৩৬ হাজার টাকার বিল-ভাউচার গুদাম কর্মকর্তার কাছে চাইলে তাদেরকে সময়মত পাবেন বলে জানিয়ে দেন। এভাবে প্রায় দুই মাস থেকে তাদেরকে ঘুরাতে থাকেন তিনি। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার গম বিক্রির টাকা নিতে গেলে গুদাম কর্মকর্তা তাদেরকে জানান, “আপনাদের বিলের টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।” এ কথা শুনে মাথা চরকগাছা দুই ব্যবসায়ীর। মুহুর্তেই এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রথমে বচসা পরে তা হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযুক্ত গুদাম কর্মকর্তা রৌমারী সদর ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি রাজু আহমেদ খোকার নিকট আত্মীয় হওয়ায় তিনি সরকারি ক্রয় অভিযানে সীমাহীন দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকি ব্যবসায়ীদের বিলের টাকা উত্তোলন করে পকেটস্থ করেন। অভিযোগ প্রসঙ্গে গুদাম কর্মকর্তা আবু বক্কর সাংবাদিকদের জানান, ওই ১২ টন গমের বিল ভাউচার ব্যবসায়ীদের কাছে দেয়ার জন্য অনেক আগেই আমি খোকার হাতে দিয়েছি। এখন শুনছি তাদেরকে দেয়নি, আমি তার কাছ থেকে টাকা উঠানোর চেষ্টা করছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শংকর কুমার বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গুদাম কর্মকর্তাকে ৩ দিনের মধ্যে টাকা দিতে বলা হয়েছে। জেলা খাদ্য কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ