• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ভারতের তিস্তায় বাঁধ দেওয়ার উদ্যোগ

Tista1440484931আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এপার-ওপার দুই তিস্তাই এখন পানিতে টইটম্বুর। কোথাও বর্ষার পানি, কোথাও সেই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উজানের ঢল। সব মিলিয়েই তিস্তা এখন জলে টলমল। খবর হচ্ছে, জল থইথই উপচে পড়া এই পানি নেমে গেলেই বাঁধ দেওয়া হবে ওপারের তিস্তায়।

পানি নেমে গেলেই শুরু করা হবে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ ও ময়নাগুড়ির বন্যাকবলিত এলাকায় তিস্তা নদীতে বাঁধ দেওয়ার কাজ। আর এই দুটি বাঁধের জন্য প্রায় ৬০ কোটি রুপি ব্যয় ধরা হয়েছে। রাজগঞ্জের বিধায়ক জানিয়েছেন, বাঁধ গড়ার বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক স্তরের কাজকর্ম শুরু হয়েছে। বিধায়ক খগেশ্বর রায় আরো জানান, গজলডোবা থেকে বারোপেটিয়া পর্যন্ত বন্যাকবলিত এলাকায় গড়ে তোলা হবে তিস্তার এই বাঁধ। রাজ্যের সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই এলাকায় পরিদর্শনে এসে বাঁধ নির্মাণের কথা ঘোষণা করে গেছেন।

একইভাবে মাল ব্লকের মোয়ামারি এলাকা থেকে দোমোহনী পর্যন্ত বন্যাকবলিত এলাকায়ও গড়ে তোলা হবে তিস্তার বাঁধ। ময়নাগুড়ির বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী জানান, এই এলাকায় ছয় কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণে খরচ হবে ২৫ কোটি রুপি।

বর্তমানে তিস্তার পানির স্তর অনেকটা নেমে যাওয়ায় জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ও ময়নাগুড়ি ব্লকের বন্যা পরিস্থিতি রোববারও স্থিতিশীল অবস্থায় ছিল। তবে সেখানে ময়নাগুড়ির বাসুশোভা এলাকায় প্রায় ১০০ মিটার অস্থায়ী বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় সমস্যায় রয়েছেন স্থানীয় মানুষ। বাসুশোভা, চাতরার পার, বর্মনপাড়া, সরকারপাড়াসহ ময়নাগুড়ির বেশ কিছু এলাকা এখনো জলমগ্ন। বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় এই এলাকাগুলোর এখনো অসংখ্য বাড়ি জলমগ্ন। স্থানীয় মানুষ এসে আশ্রয় নিয়েছেন বাঁধ ও উঁচু রাস্তার ধারে।

প্রসঙ্গত, পাহাড়ে অবিরাম বৃষ্টির ফলে দুই মাস ধরে তিস্তা ব্যারাজ থেকে বারবার পানি ছাড়ায় একাধিকবার বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পাহাড়ে অবিরাম বৃষ্টির জেরে গজলডোবার তিস্তা ব্যারাজে প্রচুর পানি আটকে পড়েছিল। সেই পানি ছাড়ার কারণেই বারবার দেখা দিয়েছে বন্যা পরিস্থিতি।

তথ্যসূত্র : আজকাল

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ