আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ক্যান্সারে জরায়ু হারানো এক সুইডিশ নারীর মায়ের গর্ভে জন্মেছে তার শিশু। নানির গর্ভে জন্মানো শিশুটির বয়স এখন নয় মাস। চিকিৎসা বিজ্ঞানের চমকপ্রদ এই সাফল্যের পেছনে আছেন সুইডেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী গোটেনবার্গের এক হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের চিকিৎসক ড ম্যাটস ব্র্যানস্টর্ম।
ড ম্যাটস এ পর্যন্ত জরায়ুতে ভ্রূণ প্রতিস্থাপন করে সাফল্যের সঙ্গে চারটি শিশুর জন্মগ্রহণ নিশ্চিত করেছেন। পঞ্চম শিশুটি জন্মানোর অপেক্ষায় আছে। তবে, এই শিশুটির নিরাপত্তার কথা ভেবে তার মা বা নানীর পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
অল্প বয়সেই ক্যান্সারে জরায়ু হারিয়ে ফেলা ওই শিশুটির মা বলেন, এ এক অবিশ্বাস্য ব্যপার। আমি আমার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না’।
শিশুটির নানী জানান, তিনি তার মেয়ের মাতৃত্বের সাধ পূরণ করতেই এ বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এই পদ্ধতির খুঁটিনাটি বিষয় কিছুই আমি বুঝিনি, তবে এতটুকু বুঝেছি, আমি হয়তো ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলাম’।
ড ম্যাটস বলেন, জরায়ুবিহীন ওই নারীর ডিম্বাণু ও তার স্বামীর শুক্রাণু ইন ভিটরো ফারটিলাইজেশন পদ্ধতিতে নিষিক্ত করে ভ্রূণ তৈরি করা হয় ও চারবারের চেষ্টার পর ওই নারীর মায়ের গর্ভে তা প্রতিস্থাপন করলে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হন। সূত্র: গার্ডিয়ান।