• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

জলঢাকা উপজেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক কারাগারে

নীলফামারী কারাগারসিসি নিউজ: নির্বাচন সংক্রান্ত একটি মামলায় নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সহীদ হোসেন রুবেলকে আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

সোমবার দুপুরে নীলফামারীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ নাফিরুল হকের আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত জামিন মঞ্জুর না করে উক্ত আওয়ামী লীগ নেতাকে জেলা কারাগারে পাঠায়।

মামলার সুত্র মতে, গত ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারী উপজেলা নির্বাচনে জলঢাকায় সহীদ হোসেন রুবেল চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনে তিনি পরাজিত হলেও নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনের আয় ব্যয়ের রির্টান যথাসময়ে ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে জমা দেননি। ফলে স্থানীয় সরকার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ২০০৮ এর ৭৪ বিধি অনুযায়ী এবং ৫৫ বিধি লঙ্ঘনের শাস্তিযোগ্য অপরাধের ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সুত্রমতে ২০০৯ সালের ৩১ আগষ্ট তৎকালীন উপজেলা নির্বাচনের নীলফামারী জেলার রির্র্টানিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সিদ্দিকুর রহমান বাদি হয়ে সহীদ হোসেন রুবেলে বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলা দায়ের পর থেকে সহীদ হোসেন রুবেল দীর্ঘদিনেও আদালতে হাজিরা না দেয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছিল।

ওই মামলার ঘটনার দীর্ঘ ৬ বছর পর সোমবার দুপুরে সহীদ হোসেন রুবেল নীলফামারী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালতের বিচারক শেখ মো. নাসিরুল হক জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামীর পক্ষে আইজীবি আজাহারুল ইসলাম জানান সহীদ হোসেন রুবেল জলঢাকা উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক। উপজেলা নির্বাচন সংক্রান্ত মামলায় তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেছিলেন। কিন্তু আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ ব্যাপারে জেলা নিার্বাচন অফিস সুত্রে জানানো হয় ২০০৯ সালের উপজেলা নির্বাচনে জেলার ৫৫ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ২০০৮ এর ৭৪ বিধি অনুযায়ী এবং ৫৫ বিধি লঙ্ঘনের শাস্তিযোগ্য অপরাধের ধারায় পৃথক পৃথকভাবে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ওই নব মামলার ৫৪ জন নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিয়ে জামিনে রয়েছে। সহীদ হোসেন রুবেল মামলার পর থেকে আদালতে হাজিরা না দেয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোওয়ানা জারী ছিল আদালত কর্তৃক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ