• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

এমপি বদির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

বদিঢাকা : অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে আওয়ামী লীগের দলীয় সংসদ সদস্য (কক্সবাজার-৪ আসন) আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা মামলায় অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। অভিযোগ গঠনের ফলে এ মামলার বিচার শুরু হলো।

মঙ্গলবার অভিযোগ গঠনের সময় সাংসদ বদি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ-৩-এর বিচারক আবু আহম্মেদ জমাদ্দার অভিযোগ গঠন করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে ৬ কোটি ৩৩ লাখ ৯৪২ টাকা অবৈধ সম্পদের তথ্য অভিযোগপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি দুদকের কাছে ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৫৩ হাজার ২৭ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

২০১৪ সালের ২১ আগস্ট সাংসদ বদির বিরুদ্ধে দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবদুস সোবহানের দায়ের করা মামলায় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার বাইরে ১০ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৯ টাকা অবৈধ সম্পদ থাকা, সম্পদ ৩৫১ গুণ বৃদ্ধি পাওয়া এবং পাঁচ বছরে তার আয় ৩৬ কোটি ৯৬ লাখ ৯৯ হাজার ৪০ টাকার তথ্যের উল্লেখ রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুসারে তার বার্ষিক আয় ৭ কোটি ৩৯ লাখ ৩৯ হাজার ৮০৮ টাকা। আর বার্ষিক ব্যয় ২ কোটি ৮১ লাখ ২৯ হাজার ৯২৮ টাকা।

২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জমা দেওয়া হলফনামায় তার বার্ষিক আয় ছিল ২ লাখ ১০ হাজার ৪৮০ টাকা। ব্যয় ছিল ২ লাখ ১৮ হাজার ৭২৮ টাকা। এ সময় বিভিন্ন ব্যাংকে তার মোট জমা ও সঞ্চয়ী আমানত ছিল ৯১ হাজার ৯৮ টাকা।

২০১৪ সালের ৭ মে দুদকের উপপরিচালক মঞ্জিল মোর্শেদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।  এরপর ১২ অক্টোবর ঢাকা সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করলে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠান। পরবর্তী সময়ে তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন পান।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ