রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন বলেন, “এসময় রাষ্ট্রপতি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলায় ইকুয়েডরের উন্নয়নের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশও ইকুয়েডরের অভিজ্ঞতা থেকে লাভবান হতে পারে।”
গত বছর বলিভিয়ায় জি-৭৭ এর বৈঠকে ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট রাফয়েল কোরেয়ার সঙ্গে তার সাক্ষাতের কথাও স্মরণ করেন আবদুল হামিদ।
প্রেস সচিব বলেন, “রাষ্ট্রপতির আরও বলেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ ও ইকুয়েডর একই মত পোষণ করে এবং বিশ্ব শান্তিরক্ষায় একত্রে কাজ করছে। ”
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ইকুয়েডরের দূত পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে আবদুল হামিদ বলেন, রাষ্ট্রদূতের এই নিয়োগের ফলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক বৃদ্ধি পাবে।
মেক্সিকোর দূতকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিলী হবে এবং বানিজ্য-বিনিয়োগ সম্পর্কে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
দুই দূতই তাদের দায়িত্বপালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রেস সচিব। দুই দূত বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি দল তাদের আলাদাভাবে গার্ড অব অনার দেয়।