• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ভারত যেতে পারলো না বিলুপ্ত ছিটমহলবাসী

1436180008 copyসিসি নিউজ: ভারত সরকারের অসহযোগীতার কারনে সদ্য বিলুপ্ত ছিটমহলের ভারতীয় নাগরিকত্ব বহাল রাখা ভারতীয় ছিটমহলের ভারতীয় নাগরিকদের তাদের নিজ দেশে যাওয়া হয়নি। এ নিয়ে তাদের মাঝে নুতন করে হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে তাদের মনে নিজ দেশের সরকারের এমন কর্মকান্ডকে ঘিরে। আগামীর অনিশ্চতার নানা প্রশ্ন এখন তাদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে।

ভারতের নাগরিকত্ব বজায় রাখা সদ্য বিলুপ্ত ছিটমহলবাসীর স্থায়ীভাবে ভারত গমন পিছিয়ে যাওয়ায় দেশবাসীর কাছেও প্রশ্ন উঠেছে বন্ধু প্রতীম রাষ্টের এ আচরনকে ঘিরে।  সোমবার সকাল ১১টার মধ্যে প্রথম দফায় ৭৩ পরিবারের ৩১৭ জন সদস্যের ভারত যাওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে বুড়িমারী-চেংরাবান্ধা অভিবাসন সীমান্ত দিয়ে লালমনিরহাটের চারটি পরিবারের ৩৪ জন সদস্য, নীলফামারীর চিলাহাটি-হলদিবাড়ি অভিবাসন সীমান্ত দিয়ে পঞ্চগড়ের বিলুপ্ত ছিটমহল থেকে ১৬ পরিবারের ৪৮ জন সদস্য ও বাগভান্ডার-সাহেবগঞ্জ অভিবাসন সীমান্ত দিয়ে কুড়িগ্রামের বিলুপ্ত ছিটমহলের ৫৩ পরিবারের ২৩৫ জন সদস্যের ভারতের যাবার দিন ধার্য ছিল। এ জন্য নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের চিলাহাটি হলদিবাড়ি অভিবাসন সীমান্ত পথ তৈরী করে রাখা হয়েছে। সীমান্তের ওপারে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নির্মান করেছে বিশাল একটি সবুজ প্যান্ডেল। সেখানে বরন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এখন শুধু ক্ষনের অপেক্ষা। শেষ মূহূর্তে এসে তাও ভেস্তে যেতে বসেছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও শেষ মূহূর্তে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কোন সবুজ সংকেত না দেয়ায় বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ তাদের ভারত পাঠাতে পারেনি।

এ ব্যাপারে নীলফামারী জেলা প্রশাসক জাকীর হোসেন জানান, উভয় দেশের ডিসি/ডিএম পর্যায় ইতিমধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারতে স্থায়ীভাবে গমনে ট্রাভেল পাসধারীরা প্রস্তুত রয়েছেন। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সবুজ সংকেত এলেই চার দফায় তাদের পাঠানো হবে। তবে ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই সবাইকে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের ৩১ জুলাই মধ্য রাতে বাংলাদেশের অভ্যান্তরে থাকা ভারতীয় ১১১টি ও ভারতের অভ্যান্তরে থাকা বাংলাদেশের ৫১ সহ ১৬২টি ছিটমহল বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়েছিল। এর আগে উভয় দেশের এসব ছিটমহলে বসবাসরত বাসিন্দাদের জনগণনা সম্পন্ন করা হয়। সে সময় দেশ বেছে নেয়ার নির্ধারিত ফরমে বাংলাদেশের অভ্যান্তরে ভারতীয় ওই সব ছিটমহলের তিন জেলার ১০৮ পরিবারের ৯৮৫ জন তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব বহাল রেখে ভারতে যাওয়ার জন্য মত দেয়। সেই সুত্র ধরে তাদের বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাঠানোর উল্লেখিত প্রস্তুতি গ্রহন করা হয় এবং ভারতে নাগরিকত্বের আবেদনকারীদের মধ্যে ট্রাভেল পাস ইস্যু করে ভারত সরকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ