হাবিবুর রহমান, চিলমারী : কুড়িগ্রামের চিলমারীর অষ্টমীরচর ইউনিয়নের সীমান্ত ভাঁসার চর (মাইজবাড়ী) চরে একটি সশস্ত্র ডাকাত দল শনিবার দিবাগত রাতে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে হামলা চালিয়ে ২০টি গরু লুট করে নিয়ে যায়। এসময় তারা বাড়িঘর ভাংচুরসহ গ্রামবাসীর উপর হামলা ও গুলি করে। এসময় ৩জন গুলিবিদ্ধ হয়। এঘটনায় এলাকায় আতঙ্কসহ পুলিশের ভুমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত্রি প্রায় ৮টার সময় একটি নৌকাযোগে একদল ডাকাত গ্রামে প্রবেশ করে এসময় টের পেয়ে গ্রামের লোকজন তাদের বাধা দিতে গেলে ডাকাতরা কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে তাদের ভীতসন্ত্রস্ত করে তোলে এসময় আঃ খলিল (৩৫), আক্কু(২৫) ও আজিবর (৪০)সহ ৩জন গুলিবিদ্ধ হয়। পরে ২০/২৫ জনের ডাকাত দলটি বাড়িতে বাড়িতে হামলা চালায় এবং বাড়ির লোকজনকে বন্দুক, ধারালো অস্ত্র এবং লাঠিসোটা দেখিয়ে ভীতির সৃষ্টি করে। এবং ডাকাত দল এসময় শাহজামাল, নজরুল, আবুল হোসেন, আবুল কাশেম, ইউনুছ ও সাদ্দামএর ২০টি গরু লুট করে নিয়ে যায়। এব্যাপারে নয়ারহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সোহরাব ও উক্ত এলাকার মেম্বার দুলাল মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তারা ডাকাতি ও গুলি ছোঁড়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রাতে পুলিশি টহল না থাকায় ডাকাতরা প্রায় সময় ডাকাতির সুযোগ পাচ্ছে এবং পালিয়েও যাচ্ছে কিন্তু অজ্ঞাত কারনে পুলিশের কোন ভুমিকা পাওয়া যাচ্ছেনা। ঢুষমারা নৌ-থানার ওসি বলেন রাতেই কিছু সংখ্যক ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম এবং ডাকাতদলটিকে আটক করার চেষ্টা অব্যাহতসহ তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রবিবার সকালে বি-সার্কেল এএসপি মোঃ মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অপরদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন ডাকাতি বা কোন দূর্ঘনা ঘটলেই অজ্ঞাত কারনে সীমান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলে পুলিশ ফলে অপরাধীরা সহযেই বেঁচে যায় বলে প্রায় এই ঘটনা ঘটছে এলাকাবাসী তাদের নিরাপত্তাসহ সকল বিষয়ে সরকারের সহযোগীতা চেয়েছেন।