• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

আজ পদ্মা সেতুর মূল কাজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

paddma_setu__94292সিসি ডেস্ক: বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু আর স্বপ্ন নয়;  এখন বাস্তব। দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশিত  এই সেতুর মূল কাজ শুরু হচ্ছে আজ শনিবার। মূল পাইলিং কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই ধীরে-ধীরে দৃশ্যমান হয়ে উঠবে সেতুর অবকাঠামো।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মামুন-অর-রশিদ সাংবাদিকদের জানান, সেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে ৭ নম্বর পিলারের মাধ্যমে কাজ শুরু হবে, যার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে হেলিকপ্টারে করে জাজিয়ায় পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেতু নির্মাণ ও নদী শাসন কাজের উদ্বোধন করার পর বেলা আড়াইটায় মাওয়ায় জনসভায় ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা।

ইতিমধ্যে মূল সেতুর কাজ শতকরা ১৬ ভাগ এবং সেতুকেন্দ্রিক সামগ্রিক পরিকল্পনার ২৭ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। সব ঠিকঠাক মতো চললে আগামী ২০১৮ সালেই বহুল আকাঙ্ক্ষিত এ সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকৌশলীদের সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের পদ্মা সেতু ৪২টি পিলারের উপর দাঁড়িয়ে থাকবে। দ্বিতল এই সেতু তৈরি হবে স্টিল আর কংক্রিট স্ট্রাকচারে। সেতুর ওপরে থাকবে চার লেনের মহাসড়ক। আর নিচ দিয়ে যাবে রেললাইন। সরকার পদ্মা সেতু নির্মাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এই লক্ষ্যে ২০১১ সালের ৪ জুলাই পদ্মা সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। প্রকল্পে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ সহায়তার প্রস্তাব নিয়ে আসে বিশ্বব্যাংক। কিন্তু বনিবনা না হওয়ায় পদ্মা সেতু প্রকল্পের বাস্তবায়ন বিলম্বিত হতে থাকে। ২০১০ সালের জুলাইয়ে সেতু নির্মাণের জন্য প্রাক-যোগ্যতা দরপত্র মূল্যায়ন করে পাঁচ দরদাতাকে বাছাই করে তা বিশ্বব্যাংকের অনাপত্তির জন্য পাঠানো হলেও সংস্থাটি তা ঝুলিয়ে রাখে। পরে দুর্নীতির অভিযোগ এনে পদ্মা প্রকল্প থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেয় বিশ্বব্যাংক। সবশেষ আওয়ামী লীগ সরকার নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু করার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করে। নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে অবশেষে বাস্তবায়ন হচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ