• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুরে জেএসসিতে পাশের হার ৯১ দশমিক ৫২ শতাংশ

Board Picমাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর: দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৫ সালের জেএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। গড় পাশের হার ৯১ দশমিক ৫২ শতাংশ।
৩১ ডিসেম্বর রোববার বেলা দেড় টায় দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. তোফাজ্জুর রহমান তার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষনা করেন। গত বারের চেয়ে এবারে পাশের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা উভয়ই বেড়েছে।
দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৫ সালের জেএসসি পরীক্ষায় ২ লাখ ১৩ হাজার ৮১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৬৮২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এদের মধ্যে ছাত্র ৯৪ হাজার ৫৫৫ জন ও ছাত্রী ১ লাখ ১ হাজার ১২৭ জন। গড় পাশের হার ৯১ দশমিক ৫২ শতাংশ। ফলাফলে এবারেও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রদের পাশের হার ৯১.১৬ শতাংশ ও ছাত্রীদের পাশের হার ৯১.৯৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯ হাজার ১৪৩ জন।
তবে গতবারের চেয়ে এবারে শতভাগ পাশকৃত বিদ্যালয়ের সংখ্যা কমেছে। এবারে শতভাগ পাশকৃত বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৮০২টি। গতবার শতভাগ পাশকৃত বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল ৮২৯টি। অপরদিকে গতবার কেউই পাশ করেনি এমন (শূন্য ফলাফলপ্রাপ্ত) বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৮, কিন্তু এবারে শতভাগ পাশকৃত বিদ্যালয় ১৬টি। এবারে পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২৩৯টি ও অংশগ্রহনকারী বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৩০৯৪টি।
ফলাফল প্রকাশ করে দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. তোফাজ্জুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বিগত বছরের তুলনায় এবার ফলাফল কিছুটা ভাল হয়েছে। এবার পাশের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৪ হাজার ৪২০ জন এবং এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯ হাজার ১৪৩ জন। তিনি বলেন, এবারে খারাপ খবরের মধ্যে রয়েছে কেই্ই পাশ করেনি অর্থাৎ শূন্য ফলাফল প্রাপ্ত বিদ্যালয়ের সংখ্যা বেড়েছে। গতবার ছিল ৮টি এবারে হয়েছে ১৬টি। অপরদিকে শতভাগ পাশকৃত বিদ্যালয়ের সংখ্যা একটু কমেছে। এবারে শতভাগ পাশকৃত বিদ্যালয় ৮০২টি যা গতবারে ছিল মাত্র ৮২৯টি।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে জেএসসি পরীক্ষায় ১ লাখ ২১ হাজার ৫৮২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে উত্তীর্ন হয় ৭৫ হাজার ৬০১ জন এবং পাশের হার ছিল ৬২.১৮ ভাগ ও জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৭৬৩ জন। ২০১১ সালে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৪৩ জন উত্তীর্ন হয়। পাশের হার ছিল ৮৪.৩৫ ভাগ ও জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৩ হাজার ৬৪৫ জন। ২০১২ সালে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে উত্তীর্ণ হয়েছিল ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০৫ জন। পাশের হার ছিল ৮৪.৮৮ ভাগ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৪ হাজার ৫৩৪ জন। আর ২০১৩ সালের জেএসসি পরীক্ষায় ১ লাখ ৭৮ হাজার ৫৮৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪৭৩ জন। গড় পাশের হার ৮৮.৯১ ভাগ। ২০১৪ সালে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৫০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮১০ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। পাশের হার ছিল ৯০.১০ ভাগ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৪ হাজার ৪২০ জন।
২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৪ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে গড় পাশের হার সামান্য বেড়েছে। অপরদিকে ২০১০ সালে শতভাগ পাশকৃত বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল ৪৭টি, ২০১১ সালে ২৪২টি, ২০১২ সালে ৪৭৬টি, ২০১৩ সালে ৫০৫টি, ২০১৪ সালে ৮২৯ টি এবং এবারে ২০১৫ সালে ৮০২টি বিদ্যালয়।
ফলাফল প্রকাশের সময় দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, উপ-সচিব ড. আব্দুর রাজ্জাক, উপ-পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক হারুনুর রশিদ, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ রাকিবুল ইসলাম, বিদ্যালয় পরিদর্শক  রবীন্দ্র নারায়ন ভট্টাচার্যসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, দিনাজপুরে শিক্ষাবোর্ডর অধীনে ষষ্ঠবারের মত জেএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ