• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পানির অভাব দূর করতে …

guzrat_river1454495186আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এক দরদি ব্যক্তি তার সব কিছু উজাড় করে গরিব কৃষক ও গ্রামবাসীর জন্য নদী তৈরি করছেন। ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই কৃত্রিম নদীর চার ভাগের এক ভাগ কাজ গত তিন মাসে শেষ হয়েছে।

ভারতের গুজরাট রাজ্যের আমরেলি জেলায় তৈরি হচ্ছে এই নদী। গুজরাটের হীরা ব্যবসায়ী জেরামভাই থেসিয়া (৬৫) একাই অর্থ বিনিয়োগ করে জেলার বাবরা গ্রামে তৈরি করাচ্ছেন নদীটি।

জেরামভাই থেসিয়া কৃষক পরিবারের সন্তান। ছোটবেলায় তিনি দেখেছেন পানির জন্য তার গ্রামের লোকজন কী অসহনীয় কষ্ট ভোগ করতো। সেই সময়ে তিনি স্থির করেন, যদি কোনো দিন ধনী হতে পারেন, তাহলে গ্রামের জন্য কিছু করবেন। জেরামভাই থেসিয়া এখন সুরাটের সফল হীরা ব্যবসায়ী। অর্থকড়ির অভাব নেই।

ছোটবেলার সেই আত্মপ্রতিশ্রতি তিনি রেখেছেন। গ্রামে ফিরে গেছেন। এক ফোঁটা পানির জন্য গ্রামবাসীর হাহাকার তিনি দেখে আসছেন। পানির জন্য কৃষকরা চাষ করতে পারে না। এই কষ্ট থেকে গ্রামবাসীকে বাঁচাতে তিনি নদী কাটা শুরু করেছেন। এই নদী সচল থাকলে কৃষকদের কষ্ট অনেকটা লাঘব হবে।

থেসিয়া বলেছেন, জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তিনি গরিব কৃষকদের জন্য কাজ করে যাবেন। এই কাজে আমার স্ত্রীও সঙ্গে রয়েছে। সে শ্রমিকদের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করে।

নিজের টাকা দিয়ে নদী কাটার সব সরঞ্জাম কিনেছেন থেসিয়া। সরকারের কাছ থেকে কোনো প্রকার সাহায্য না নিয়েই নদীর চার ভাগের এক ভাগ কেটে ফেলেছেন। নদী কাটা শেষ হলে নদীরক্ষা বাঁধ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে তারা।

গুজরাটের আমরেলি খরাপ্রবণ এলাকা। পানির সংকটই এখান মানুষের প্রধান সমস্যা। থেসিয়া জানান, তিনি এমন ব্যবস্থা করতে চান যেন আগামী ৫০০ বছর তার গ্রামের মানুষ পানির কষ্ট না পায়। নদী হলে ফসল হবে, সবার মুখে হাসি থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ