• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বাংলাদেশির লাশ নদীতে ফেললো বিএসএফ

বিএসএফসাতক্ষীরা: ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন আলী বাদশা নামের এক বাংলাদেশি। নির্যাতনের একপর্যায়ে মৃত্যু হলে লাশ ফেলে দেওয়া হয় ইছামতি নদীতে।

সোমবার দুপুরে টাউন শ্রীপুর স্লুইচ গেট নামক স্থান থেকে আলী বাদশার ভাসমান লাশ উদ্ধার করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

নিহত বাদশা সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শিবনগর এলাকার মৃত বাবর আলীর ছেলে।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানায়, প্রতিদিনের মতো গত বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে টাউন শ্রীপুর বাজারে যান বাদশা। সেখান থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কৌশলে তাকেসহ কয়েকজনকে দেবহাটা সীমান্তসংলগ্ন নদী পার হয়ে ভারতে গরু আনতে পাঠান। সে অনুযায়ী তারা ভারত সীমান্তে পৌঁছলে বিএসএফ তাদের ধাওয়া করে। এ সময় বাদশার সঙ্গীরা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে কোনোভাবে রক্ষা পেলেও তিনি বিএসএফের হাতে ধরা পড়েন।

পরিবারের সদস্যদের দাবি করছে, গত পাঁচ দিন ধরে তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। একপর্যায়ে বাদশা মারা গেলে লাশ ইছামতি নদীতে ফেলে দেয় বিএসএফ। সোমবার দুপুরে টাউন শ্রীপুর স্লুইচ গেট নামক স্থানে তার লাশ ভাসতে দেখে বিজিবিকে খবর দেওয়া হলে লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে ৩৪ বিজিবির টাউন শ্রীপুর কম্পানি সদরের নায়েক সুবেদার জানান, অবৈধভাবে সীমান্তে গরু আনা-নেওয়া নিষিদ্ধ। বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে গেলে তো দুর্ঘটনা ঘটবেই। বাদশার লাশটি উদ্ধার করে দেবহাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ